সোমনাথ নন্দী, ঝাড়গ্রাম, ২০ জানুয়ারি- ঝাড়গ্রাম শহরে শুরু হল ষষ্ঠ বর্ষের রাজ্য পর্যায়ের জঙ্গলমহল উৎসব। সোমবার বিকেলে উৎসবের উদ্বোধন করে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি সাফ জানিয়ে দেন, ‘‌আমরা যেমন কারও জমি জোর করে কেড়ে নিতে দেব না। তেমন কারও নাগরিকত্ব জোর করে ছিনিয়ে নিতেও দেব না।’‌ এবার জঙ্গলমহল উৎসবের জায়গা পাল্টেছে। ৬ দিনের এই উৎসব হচ্ছে ঝাড়গ্রাম শহরের ননীবালা বয়েজ স্কুল মাঠে। উৎসব চলবে শনিবার পর্যন্ত। অনুষ্ঠানে ছিলেন পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতো, পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন দপ্তরের চেয়ারম্যান তথা
বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার সুকুমার হাঁসদা, দপ্তরের প্রধান সচিব সুব্রত বিশ্বাস প্রমুখ।
তিনি সমবেত মানুষজনদের আরও বলেন, ‘‌সংস্কৃতির যোগ আরও বাড়ুক। আমাদের যার যা আছে সকলকে একত্রিত করতে হবে। সরকারের অভিমুখও তাই।’‌ এ বছর উৎসবে ১৩৩টি সাংস্কৃতিক দলের কয়েক হাজার লোকশিল্পী অংশ নেবেন। ইতিমধ্যে উৎসব প্রাঙ্গণে ৪২টি সরকারি ও ২০টি খাবারের স্টল দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী এদিন জঙ্গলমহল উৎসব প্রসঙ্গে বলেন, ‘‌আপনারা ভাবছেন উন্নয়নটা শুধু রাস্তাঘাট করলেই হবে? উন্নয়ন শুধু চাকরি দিলে, পেটে ভাত দিলেই হবে? সঙ্গে সঙ্গে মগজে কিছু দিতে হবে। এই লোকশিল্পীদের যে সৃষ্টি, চেতনা তাকে রক্ষা করতে হবে। তাঁদের নৃত্যশৈলী, তঁাদের গান যেটা বাংলার সামগ্রিক ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করছে, তাকে সামনে নিয়ে আসতে হবে। সেই উদ্দেশ্য নিয়ে এই উৎসব। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন আমার ঝাড়গ্রামকে দেখতে হবে। আমার পুরুলিয়াকে দেখতে হবে। আমার বীরভূমকে দেখতে হবে।’‌

জঙ্গলমহল উৎসবে আদিবাসী নৃত্য। সোমবার ঝাড়গ্রামে। ছবি: প্রতিবেদক

জনপ্রিয়

Back To Top