প্রদীপ দে,বহরমপুর: মুর্শিদাবাদের নাট্যচর্চা আরও বেশি করে প্রসারের জন্য জেলার নাট্যকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করলেন মন্ত্রী তথা নাট্যব্যক্তিত্ব ব্রাত্য বসু। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে সন্ধে পর্যন্ত টানা আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে এমন আলোচনা। নাট্যচর্চার ক্ষেত্রে রাজ্যে বহরমপুর উল্লেখযোগ্য নাম। শহরে ১৮টি নাট্যদল প্রতিনিয়ত নাট্যচর্চা করে যাচ্ছে। যে নাট্যোৎসব হয় সেখানে বিদেশি নাট্য দলও আসে। বহরমপুর ছাড়াও রঘুনাথগঞ্জ, কান্দি, লালগোলায় নাটকের দল আছে। 
ব্রাত্য পশ্চিমবঙ্গ নাট্য আকাদেমির অন্যতম শীর্ষকর্তাও। মুর্শিদাবাদের নাট্যচর্চার সমস্যা কী, কেমন নাটক হচ্ছে, নাটক নিয়ে নাট্য আকাদেমির ভূমিকা কী, এসব নিয়ে কথা হয়। বহরমপুরের নাট্যদলগুলি বলেছে, শহরে একটি মাত্র সরকারি প্রেক্ষাগৃহ। ৭–৮ মাস আগে হল বুকিং করলেও জেলা প্রশাসন হঠাৎ ফোন করে প্রেক্ষাগৃহ নিয়ে নিচ্ছে। এতে চরম সমস্যা হচ্ছে। এমন কথা শুনে ব্রাত্য উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘‌এমন হওয়া উচিত নয়। আমি তথ্য–সংস্কৃতি দপ্তরের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে কথা বলব।’‌ এরপর ব্রাত্য বলেন, ‘‌২০১১ সালের পর থেকে রাজ্য সরকার নাট্যদলগুলিকে যে অনুদান দেয় তার পরিমাণ ৫০ হাজার টাকা। ২০১১–‌র আগে ছিল ৫–৭ হাজার টাকা। এছাড়াও নাট্য আকাদেমির উদ্যোগে নাট্যমেলা শুধু কলকাতায় নয়, সব জেলায় হচ্ছে। নাটকের কর্মশালা হচ্ছে। আমরা চাই, বহরমপুর তথা মুর্শিদাবাদের নাট্যচর্চার আরও প্রসার হোক। আমরা আরও জেলায় গিয়ে এমন আলোচনা করব।’‌ ব্রাত্য ছাড়াও ছিলেন নাট্য আকাদেমির শেখর সমাদ্দার, বিজয় মুখার্জিরা।‌

বহরমপুরে ব্রাত্য বসু। বৃহস্পতিবার সন্ধেয়। ছবি: প্রতিবেদক

জনপ্রিয়

Back To Top