গৌতম চক্রবর্তী‌: সারা দেশে ‘‌ডিভাইড অ্যান্ড রুল’‌‌ শুরু হয়েছে। এই বিভেদকারী শক্তি বিজেপি–কে শেষ করে দিতে হবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে সোনারপুরে এক সংবর্ধনা সভায় এসে এইভাবেই বিজেপি–র বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, দেশে বিজেপি যত দিন থাকবে, তত দিন অসহিষ্ণুতা থাকবে। নোটবন্দি করে মানুষকে নাজেহাল করেছে বিজেপি। তাই এখন মানুষ ভাবছেন এই আপদ কবে যাবে। এদিন সন্ধেয় সোনারপুরের কালিকাপুর–২ অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচালনায় ও বিধায়ক জীবন মুখোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বাঘের মোড় কল্যাণ সমিতির মাঠে এই সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি সামিমা শেখ, সাংসদ তথা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তী, সোনারপুর–রাজপুর পুরসভার চেয়ারম্যান ড.‌ পল্লব দাস, বিধায়ক জীবন মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক ফিরদৌসি বেগম, শ্রমিক নেতা সমীর মণ্ডল ও শ্যামল মণ্ডল। এদিন মন্ত্রী আরও বলেন, পঞ্চায়েত আর পুরসভা হল সরকারের দুটি হাত। পঞ্চায়েত আর পুরসভার কাজের মাধ্যমের মানুষের কাছে সরকারের কাজের সুফল পৌঁছবে। 
পঞ্চায়েতের সদস্য–সদস্যাদের মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে হবে। সমস্যা শুনতে হবে। বহুকাল এই অঞ্চল সিপিএমের ছিল, আজ তা তৃণমূলের হাতে। এখানকার সিপিএম নেতা বিধানসভায় দাঁড়িয়ে অনেক কথা বলেন। কিন্তু অসমে বাঙালিদের হত্যা করার প্রতিবাদ করলেন একমাত্র মমতা ব্যানার্জি। মমতা ব্যানার্জিকে দুর্বল ভাববেন না। তাঁর বাহুবল নয়, লোকবল আছে। ‌‌

সোনারপুর দক্ষিণে সংবর্ধনা সভায় ফিরহাদ হাকিম। ছিলেন সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী, সামিমা শেখ, ফিরদৌস বেগম প্রমুখ। বৃহস্পতিবার। ছবি:‌ গৌতম চক্রবর্তী

জনপ্রিয়

Back To Top