আজকাল ওয়েবডেস্ক: একুশের বিধানসভা ভোটে বিজেপির হয়ে প্রচারে ঝড় তোলেন মিঠুন চক্রবর্তী। কিন্তু তা সত্ত্বেও ভরাডুবি হয় বিজেপির। ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসায় মদত দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। এই সংক্রান্ত মামলা করে উত্তর কলকাতা যুব তৃণমূলের সদস্যরা। আর এই মামলার ভিত্তিতে হাইকোর্টের তরফে মিঠুন চক্রবর্তীকে জানিয়ে দেওয়া হল, তদন্তে সাহায্য করতে হবে মিঠুন চক্রবর্তীকে। শুনানির দিন আদালতে সশরীরে হাজিরা না দিলেও চলবে। আগামী শুক্রবার এই কেসের পরবর্তী শুনানি হবে কলকাতা হাইকোর্টে।কলকাতা পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে। ভোট পরবর্তী হিংসায় মদতের অভিযোগের ভিত্তিতে মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তদন্তের স্বার্থে মিঠুন চক্রবর্তীর  সঙ্গে ভার্চুয়াল কনফারেন্সে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। ভিডিও কনফারেন্সে মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে কথা বলবেন কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। যাঁরা এই তদন্তের দায়িত্বে আছেন। হাইকোর্ট এই জন্য মিঠুন চক্রবর্তীকে ইমেল আইডি জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা পুলিশের কাছে।

 প্রসঙ্গত,উত্তর কলকাতা যুব তৃণমূলের সদস্যরা কয়েক মাস আগেই মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছিল। ভোট পরবর্তী হিংসায় মদত দিচ্ছেন মিঠুন চক্রবর্তী। আর সেই এফআইআরের পাল্টা এবার হাইকোর্টের দারস্থ হলেন মিঠুন চক্রবর্তী। অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তীও হাইকোর্টে পাল্টা মামলা দায়ের করেন তৃণমূলের নামে। মিঠুন চক্রবর্তীর দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই আমার বিরুদ্ধে এই ধরণের মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগের কোনও সত্যতা নেই। উত্তর কলকাতা যুব তৃণমূলের সদস্যরা মিথ্যা অভিযোগ করেছে।

 প্রসঙ্গত, কয়েক মাস আগেই রাজ্যে শেষ হয়েছে বিধানসভা ভোট। আর ভোটপ্রচারে বিজেপির হয়ে কার্যত ঝড় তুলেছিলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। কিন্তু ভোটের ফলাফলে দেখা যায় মিঠুন ম্যাজিক কাজ করেনি ভোটবাক্সে। বাংলার জনতা সেই আস্থা রাখেন মমতা ব্যানার্জির উপরই। আর ভোটের ফলাফল প্রকাশ হতেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়ে যায় রাজনৈতিক হিংসা। আর এই হিংসা ছড়ানোর জন্য নাকি মিঠুন চক্রবর্তী দায়ী। এই মর্মে মানিকতলা থানায় মিঠুন চক্রবর্তীর নামে এফআইআর দায়ের করে উত্তর কলকাতা যুব তৃণমূলের সদস্যরা।

জনপ্রিয়

Back To Top