Adhir Chowdhury: রাজ্যে পেট্রোপণ্যের ওপর ভ্যাট কমানোর দাবি তুললেন অধীর 

আজকাল ওয়েবডেস্ক: কেন্দ্র সরকার পেট্রোপণ্যের উপর এক্সাইজ ডিউটি কমানোর পর রবিবার থেকে দেশজুড়ে বেশ কিছুটা কমেছে পেট্রোল-ডিজেলের দাম l তারপরও কেরল, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র, রাজস্থানের মতো কয়েকটি রাজ্য পেট্রোপণ্যের ওপর ভ্যাট কমাতে সেখানকার বাসিন্দারা পেট্রোপণ্য আরও একটু কম দামে কিনতে পারছেন।

 
প্রতি লিটার পেট্রল এবং ডিজেলের ক্ষেত্রে কংগ্রেস শাসিত রাজস্থান সরকার ভ্যাট কমিয়েছে যথাক্রমে ২ টাকা ৪৮ পয়সা এবং ১ টাকা ১৬ পয়সা। শনিবার কেরল সরকার পেট্রল এবং ডিজেলের দাম যথাক্রমে ২ টাকা ৪১ পয়সা এবং ১ টাকা ৩৬ পয়সা কমিয়েছে। অন্য দিকে মহারাষ্ট্রের উদ্ধব ঠাকরের সরকার পেট্রল ও ডিজেলের উপর ভ্যাট কমিয়েছে যথাক্রমে ২ টাকা ৮ পয়সা এবং ১ টাকা ৪৪ পয়সা। ওড়িশার বিজেডি সরকার ভ্যাট কমিয়েছে যথাক্রমে ২ টাকা ২৩ পয়সা এবং ১ টাকা ৩৬ পয়সা।
কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখনও পেট্রোপণ্যের উপর ভ্যাট কমানোর বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় এই রাজ্যের বাসিন্দারা আলাদা করে কোনও সুবিধা পাচ্ছেন না। সোমবার বহরমপুরে সাংবাদিক সম্মেলন করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী রাজ্য সরকারের কাছে পেট্রোপণ্যের উপর ভ্যাট কমানোর দাবি জানালেন।

 

আরও পড়ুন: জেলা জুড়ে রক্তের তীব্র সঙ্কট মেটাতে এগিয়ে আসছেন পুলিশকর্মীরা 


অধীরবাবু বলেন, 'কেন্দ্র সরকার পেট্রোল ডিজেলের উপর এক্সাইজ ডিউটি কমানোর পরই আমরা দাবি করেছি পশ্চিমবঙ্গ সরকারকেও পেট্রোপণ্যের উপর ভ্যাট কমাতে হবে। এরাজ্যে যেভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া হয়েছে তার দায়িত্ব রাজ্য সরকার এড়াতে পারে না। রাজ্য সরকার বলতেই পারে এখন তাদের রোজগার কম তাই পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমাতে পারবে না। কিন্তু রাজ্যের দেখা উচিত কোথায় তাদের বেশি খরচ হচ্ছে। রাজ্যে সরকার সাধারণ মানুষের গলা কেটে (পড়ুন পেট্রোপণ্যে ভ্যাট না কমিয়ে) কিছু লোককে 'ভিক্ষা' দিচ্ছেন। সেই ভিক্ষার নাম কোথাও কন্যাশ্রী, কোথাও লক্ষীর ভাণ্ডার কোথাও বা অন্য কোনও শ্রী।' 
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আরও বলেন, 'বাংলায় মানুষের রোজগার করার ক্ষমতা কমে যাচ্ছে এবং বাজারে গিয়ে জিনিসপত্র কেনার ক্ষমতা অর্থাৎ 'কনজাম্পশন পাওয়ার' কমছে। মানুষের ক্রয় ক্ষমতা যত কমবে ততই বাজারের সঙ্কট বৃদ্ধি পাবে।' 
 

আকর্ষণীয় খবর