আজকালের প্রতিবেদন, ডায়মন্ড হারবার: ডায়মন্ড হারবারের সৌন্দর্যায়ন প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুললেন সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। শুক্রবার সন্ধেয় সৌন্দর্যায়ন প্রকল্পের সূচনা করতে এসে অভিষেক বলেন, ‘প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের জন্য রেল ও সেনাবাহিনীর কিছু জমির প্রয়োজন ছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জমির আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু অনুমোদন দেওয়া হয়নি। তবে সেকারণে উন্নয়ন আটকে থাকবে না। উন্নয়ন করে আমরা দেখিয়ে দেব। ইতিমধ্যে ডায়মন্ড হারবার জুড়ে সেই উন্নয়ন প্রমাণিত।’ 
‌‌‌‌রাজ্য পর্যটন দপ্তরের উদ্যোগে ডায়মন্ড হারবার শহরের হুগলি নদীর পাড় ও পুরনো কেল্লাকে নতুন করে পর্যটকদের উপহার দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নেন সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি।  এদিন পুরনো কেল্লার মাঠে হুগলি নদীর পাড়ে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে প্রকল্পের সূচনা করেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী, সভাধিপতি শামিম সেখ, বিধায়ক দীপক হালদার, তমোনাশ ঘোষ, দিলীপ মণ্ডল, জেলাশাসক ওয়াই রত্নাকর রাও-‌সহ বিশিষ্টরা। এদিন প্রকল্প সম্পর্কে অভিষেক বলেন, ‘প্রথম পর্যায়ে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সৌন্দর্যায়ন প্রকল্প হবে।  দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ১৩ কোটি ব্যয় হবে। সব মিলিয়ে ২৫ কোটি টাকার প্রকল্প। সাজবে নদীর পাড়। থাকবে নদীর ওপর ঝুলন্ত ব্যালকনি। থাকবে ভাসানঘাট। পাড়ের মন্দিরগুলোকে সংস্কার করা হবে। উচ্ছেদ নয়, আধুনিক স্টল করে দেওয়া হবে দোকানদারদের। কোনও গাছও কাটা হবে না। স্থানীয় কপাটহাট থেকে রাজারতালুক পর্যন্ত জাতীয় সড়কের পাশে ফুটপাথ তৈরি করা হবে।‌ দেড় বছরের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।’‌
এদিন নাম না করে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তৃণমূল সাংসদ বলেন,‘‌‌ আগুন নিয়ে খেলবেন না। কার কী ওষুধ আমরা জানি। একটি রাজনৈতিক দল আমাদের বিরুদ্ধে তোষণের অভিযোগ করেন। তাদের বলি, আমরা তোষণের রাজনীতি করি না। আমরা উন্নয়ন বুঝি।’‌ অন্যদিকে রাজ্যের উন্নয়ন প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন,‘‌ দেশের ২৮টি রাজ্যের মধ্যে উন্নয়নে এক নম্বর পশ্চিমবঙ্গ। একশ শতাংশ কাজ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। আমরা আরও উন্নয়ন করতে পারতাম, কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার প্রতি পদে বাধা দিচ্ছে।’‌‌‌

ডায়মন্ড হারবারে সৌন্দর্যায়ন প্রকল্পের সূচনায় অভিষেক ব্যানার্জি। ছবি: গৌতম মণ্ডল

জনপ্রিয়

Back To Top