মিল্টন সেন, হুগলি: জেলাশাসক ওয়াই রত্নাকর রাওয়ের নেতৃত্বে জেলা জুড়ে সারাদিন মহাপরিদর্শন কর্মসূচি পালন করল জেলা প্রশাসন। শুধু স্কুলে গিয়ে মিড–ডে মিল নিয়ে নয়, জেলাশাসক বুধবার তদন্ত চালিয়েছেন ন্যায্য মূল্যের দোকানগুলিতেও। কন্যাশ্রী, বিধবা ভাতার মতো সরকারি প্রকল্প যারা পেয়ে থাকেন সেই উপভোক্তাদের বাড়ি গিয়ে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন জেলাশাসক।
এদিন বেলা ১টা নাগাদ জেলাশাসক পৌঁছন বলাগড় ব্লকের সিজা গ্রামের অক্ষয় অম্বিকা প্রাথমিক স্কুলে। সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন)‌ প্রতীপ মণ্ডল, সদর মহকুমাশাসক অরিন্দম বিশ্বাস। স্কুলে পৌঁছনোর ঠিক আগেই তিনি হঠাৎ গাড়ি দাঁড় করিয়ে গ্রামের একটি ন্যায্য মূল্যের দোকানে ঢুকে পড়েন। সেখানে দোকানের মালিকের থেকে রেজিস্টার নিয়ে, তা স্টকের খাতার সঙ্গে মিলিয়ে দেখেন। কথা বলেন উপভোক্তাদের সঙ্গেও। তাঁরা ঠিকমতো রেশন পাচ্ছেন কিনা তা খোঁজ নিয়ে দেখেন। গ্রামে ঘুরে বৃদ্ধ–‌বৃদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলে বার্ধক্যভাতা পাওয়ার ব্যাপারে কোনও সমস্যা হচ্ছে কিনা জানতে চান। একইসঙ্গে গ্রামের কন্যাশ্রীদের সঙ্গে দেখা করে এই প্রকল্পের টাকা তারা ঠিক মতো পাচ্ছে কিনা জানতে চান। তার পর স্কুলে ঢুকেই পৌঁছন মিড–ডে মিলের রান্নাঘরে। কী রান্না হচ্ছে দেখেন। খাবারের স্টক মিলিয়ে দেখেন। মিড–ডে মিলের গুণগত মান পরীক্ষা করতে মহকুমাশাসক, এডিএম–‌কে সঙ্গে নিয়ে নিজেই বাচ্চাদের সঙ্গে বসে ডিম–‌ভাত খান জেলাশাসক। খাওয়া সেরে তিনি জানান, সারাদিনে প্রায় ১ হাজার স্কুলে পরিদর্শন চালিয়েছেন জেলা প্রশাসনের ৩০০ জন আধিকারিক। কোথাও কোনও অভিযোগ মেলেনি। জেলার প্রত্যেক স্কুলে সিসি ক্যামেরা লাগানোর কাজ শুরু হয়েছে।

জনপ্রিয়

Back To Top