সামাজিক দূরত্ব মেনেই পালিত বহরমপুরে শহিদ দিবস

আজকাল ওয়েবডেস্ক: করোনাবিধি মেনেই বহরমপুরে পালিত হল শহিদ দিবস। বুধবার সকালে বহরমপুর তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে সাগরদিঘির বিধায়ক এবং রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত সাহা তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা উত্তোলন করে শহিদ বেদীতে মাল্যদানের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। ছিলেন মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি অশোক দাস, বহরমপুর টাউন তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুর পৌরসভার মুখ্য উপদেষ্টা নাড়ুগোপাল মুখার্জি-সহ তৃণমূলের নেতা কর্মীরা। 
রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত সাহা বলেন,'আজকের দিনটি আমাদের কাছে একটা আবেগের দিন। আজকের দিনে আমাদের দলের ১৩ জন কর্মী শহিদ হয়েছিলেন। করোনা পরিস্থিতিতে এবছর বড় করে একুশে জুলাইয়ের অনুষ্ঠান করা সম্ভব না হলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নির্দেশে জেলার বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় ছোট ছোট করে আমরা এই দিনটাকে পালন করছি। এছাড়া আজকে শুধু পশ্চিমবঙ্গবাসী নয়, সমগ্র দেশবাসী ভার্চুয়াল মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির ভাষণ শুনছেন।' তাঁর কথায়, বিজেপি সরকারের আগ্রাসন নীতির হাত থেকে ভারতবর্ষকে বাঁচাতে গেলে অবিলম্বে এই সরকারকে উৎখাত করা প্রয়োজন। তা না হলে দেশে সার্বভৌমত্ব থাকবে না। তাই আজকে একদিকে তাঁরা যেমন 'শহিদ দিবস' পালন করছেন, সেরকমভাবেই ভারতবর্ষকে বিজেপির হাত থেকে মুক্ত করার শপথ নিচ্ছেন। রাজ্যবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সাগরদিঘির বিধায়ক সুব্রত সাহা বলেন, 'আজ আমরা শপথ নেব, 
পশ্চিমবঙ্গকে যেমন আমরা সাম্প্রদায়িকতার উর্ধ্বে নিয়ে যেতে পেরেছি ঠিক তেমনই ভারতবর্ষকে আমরা বিজেপির সংকীর্ণ সাম্প্রদায়িক নীতির কবল থেকে মুক্ত করব।' 
এদিন এই মঞ্চ থেকে বহরমপুর টাউন তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি নাড়ুগোপাল মুখার্জি বলেন, '১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই আমাদের ১৩ জন দলীয় কর্মীর ওপর যে অত্যাচার হয়েছিল সেই কথা আজও পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোলেননি। সেই শহিদদের স্মরণে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রতিবছর এ দিনটি 'শহিদ দিবস' হিসেবে পালন করা হয়। আজ ভার্চুয়াল মাধ্যমে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জির দেখানো পথে আগামীদিনে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চলবে বলেও জানান তিনি‌।'