Yash Dhull: রঞ্জি ট্রফির ইতিহাসে তৃতীয়, অভিষেক ম্যাচের দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি যশ ঢুলের!  

আজকাল ওয়েবডেস্ক: অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের অধিনায়ক যশ ঢুলকে থামানো যাচ্ছে না।

দিল্লির হয়ে রঞ্জি ট্রফিতে অভিষেকেই দুরন্ত সেঞ্চুরি করেছিলেন। প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও সেঞ্চুরি হাঁকালেন তিনি। রঞ্জি ট্রফির ইতিহাসে তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক ম্যাচের দুই ইনিংসেই শতরানের রেকর্ড গড়লেন যশ। গুয়াহাটির এসিএ স্টেডিয়ামে তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে এলিট এইচ গ্রুপের ম্যাচে প্রথম ইনিংসের ১১৩ রানের পর এবার অপরাজিত ১১৩ রান তরুণ তুর্কির।

আরও পড়ুন: সুভাষ ভৌমিক, সুরজিৎ সেনগুপ্তদের খেলার ভিডিও সংগ্রহের উদ্যোগ নিল ইস্টবেঙ্গল 


ওপেনিং পার্টনার ধ্রুব শোরের সঙ্গে অপরাজিত ২২৮ রানের ইনিংস গড়েন যশ। ম্যাচ ড্র হয়ে যায়। ধ্রুবও শতরান (অপরাজিত ১০২) করেন। প্রথম ইনিংসে যশের ১১৩ রান এসেছিল ১৫০ বলে, মেরেছিলেন ১৮টা বাউন্ডারি। দ্বিতীয় ইনিংসে ১১৩ করলেন ২০২ বলে। মেরেছেন ১৪টা চার এবং একটা ছয়। আইপিএলে হয়তো বেশি দাম পাননি। কিন্তু অভিষেকের দুই ইনিংসে ২২৬ রান করে নিঃসন্দেহে নির্বাচকদের গুড বুকে ঢুকে পড়লেন যশ। দুই বছর ধরে রঞ্জি ট্রফি বন্ধ থাকায় লাল বলের ফর্ম্যাট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। টেস্ট দলে ঢোকার জন্য আইপিএল অবশ্যই কোনও যোগ্যতার মাপকাঠি নয়, বরং চার দিনের রঞ্জি খেলে নিজেকে প্রমাণ করতে হয়। 
তাঁরই নেতৃত্বে খেলা রাজ অঙ্গদ বাওয়াকে কেনা হয়েছে ২ কোটিতে, রাজবর্ধন হাঙ্গারগেকর পেয়েছেন দেড় কোটি। কিন্তু যশকে কেনা হয়েছে ৫০ লক্ষ টাকায়। এই ঘটনা যশের মনে কোনও প্রভাব ফেলেনি তা স্পষ্ট। আবার হয়তো এমন হতে পারে, প্রভাব ফেলেছে। তার জেরেই বেরিয়ে আসছে এই দুরন্ত পারফর্ম্যান্স। রঞ্জিতে অভিষেকেই দু’ ইনিংসে শতরান তাঁর আগে করেছেন গুজরাটের হয়ে নরি কন্ট্রাকটর (১৯৫২/৫৩ মরসুমে ১৫২ এবং ১০২ নট আউট) এবং মহারাষ্ট্রের হয়ে বিরাগ আওয়াতে (২০১২/১৩ মরসুমে ১২৬ এবং ১১২)।     
 

আকর্ষণীয় খবর