সুনীল গাভাসকার: ওয়াংখেড়েয় নিজেদের দুর্গেই হেরে বসল মুম্বই। পয়েন্ট টেবিলে রাজস্থান রয়্যালস আর র‌য়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর একেবারে শেষের দিকে। তাই এই দুই দলকে হারিয়ে দেবে, বাকি দলগুলো ভেবে নিয়েছে। কিন্তু টোয়েন্টি২০–র মজাই হল, একেবারে সবার শেষে থাকা দলও যে কোনওদিন চমকে দিতে পারে তাদের থেকে অনেক ওপরে থাকা কোনও দলকে। 
প্রথম জয়ের স্বাদ পাওয়ার পর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর এখন আত্মবিশ্বাসী। বাকি ম্যাচগুলোয়ও জিততে পারি, ধারণাটা মনের মধ্যে তৈরি হয়েছে। তবে যেটা দেখা গেছে, পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ওরা রান তাড়া করেছে বলেই জিতেছে। কারণ, ওদের দলের কোনও বোলারই অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিচ্ছে না। ব্যতিক্রম চাহাল। আসলে প্লেয়াররা বুঝে গেছে, ওরা দল থেকে বাদ পড়বে না। পাশাপাশি এটাও জেনে গেছে, পারফরমেন্স খারাপ, ভাল যা–ই হোক, জাতীয় দলে নিজেদের জায়গা ধরে রাখতে অসুবিধে হবে না। 
মুম্বই আবার জয়ের ছন্দে ফিরতে চাইবে। যাতে দলের প্রতিটি সদস্যের মনে এই বিশ্বাস দৃঢ় হয় যে কোনও পরিস্থিতি থেকে মুম্বই ঘুরে দাঁড়াতে জানে। রোহিত শর্মা সচরাচর যে ভুল করে না, সেদিন শেষ ওভারে হার্দিক পান্ডিয়ার হাতে বল দিয়ে সেই ভুলটাই করেছিল। একজন অলরাউন্ডার মিডল ওভারে উইকেট নিতে পারে। রানের পুঁজি যা–ই হোক, সেটা রক্ষা করার ক্ষেত্রে হার্দিকের গতি ও লেংথ কার্যকরী। ও আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে ভালবাসে। আগ্রাসী মেজাজের। হতাশা কাটাতে কখনও কখনও রক্ষণাত্মক হতে হয়। তারপর?‌ আবার নতুন করে আক্রমণ চালাতে হয়। 
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের জন্য ম্যাচটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ওরা সবে জয়ের স্বাদ পেয়েছে। সেই স্বাদ যে ওরা আরও বেশি পেতে চাইবে, বলাই বাহুল্য। ‌‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top