দেবাশিস দত্ত

একাত্তরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যাওয়ার আগে বাল্যবন্ধুর হাতে ১০ টাকা দিয়ে বলেছিলেন, ‘‌নিয়ম করে আমার নামে হনুমান মন্দিরে পুজো দিস।’‌ ছোটবেলা থেকেই হনুমানের ভক্ত। তাই, যখন মনোহর এবং মীনাল গাভাসকার তঁাদের পুত্রের নামকরণ নিয়ে আলোচনা করছিলেন, তখন তঁাদের স্বয়ং পুত্র চেয়েছিলেন যেন তঁার নাম রাখা হয় ‘‌মারুতি’‌ বা ‘‌বীর হনুমান’‌–‌এর নামে। ক্রিকেটার্স ফাউন্ডেশন জন্মদিনে গাভাসকারকে নিয়ে যে ভিডিও প্রকাশ করে, তাতে মীনাল বলছেন, ‘‌ছেলে গোঁ ধরে বসেছিল অমন নাম রাখতে। যত বোঝাই, সহপাঠীরা এমন নামে ডাকতে গিয়ে টিটকারি করবে, সে বুঝতে নারাজ। অতঃপর হনুমানের অন্য নাম খুঁজতে গিয়ে সুনীল নামটি খুঁজে পাই। এটাও যে হনুমানের একটি নাম, কষ্ট করে বোঝাতে হয়েছিল।’
করোনার জন্য স্পোর্টসফিল্ড ছেড়ে মার্চের মাঝামাঝি থেকে আছেন ১০ মিনিটের হঁাটাপথ দূরত্বে অ্যাপার্টমেন্টে। এদিন হেঁটে মায়ের আশীর্বাদ নিতে এসেছিলেন স্পোর্টসফিল্ডে। ৩৫জন শিশুর নিখরচায় ফুসফুসের অস্ত্রোপচারের খরচের চেক দেন শ্রী সত্য সাই সঞ্জীবনী হাসপাতালের প্রতিনিধিদের হাতে। ‘‌এদের বাবা–‌মায়ের মুখে যে হাসি দেখি, তা ডাবল সেঞ্চুরির আনন্দের চেয়েও বেশি।’‌ জানালেন মারুতি তথা বীর হনুমানের ভক্ত সুনীল গাভাসকার। শিশুদের আরোগ্যলাভের জন্য নিয়ম করেই এখন তিনি টাকা দান করছেন।
প্রকাশিত ভিডিওয় ১৯৮০ সালে মারাঠি চলচ্চিত্র ‘‌সাভালি প্রেমাচি’‌ ছবিতে তিনি যে গান গেয়েছিলেন, তা তুলে ধরা হয়েছে। রয়েছে ওই সিনেমায় তঁার অভিনয়ের একটি স্টিল ছবি। মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন তঁার ও স্ত্রী–‌র নামে দুটি আসন উৎসর্গ করায় খুশি সানি, ‘‌ভেরি সুইট গিফট অন মাই বার্থডে।’

বাবা মনোহর ও মা মীনালের সঙ্গে সানি। ফাইল ছবি

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top