সংবাদ সংস্থা, লন্ডন: ইংল্যান্ড ক্রিকেটে জিওফ্রে বয়কটের অবদান ভোলার নয়। বয়কটের মতো না হলেও অ্যান্ড্রু স্ট্রসের অবদানও যথেষ্ট। অবশেষে এই দুই প্রাক্তন ক্রিকেটার তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি পেতে চলেছেন। বয়কট ও স্ট্রসকে ‘নাইটহুড’ দিচ্ছে ব্রিটিশ সরকার।
ভিভ রিচার্ডস, গ্যারি সোবার্স, কার্টলে অ্যামব্রোজের মতো ক্রিকেটাররা নাইটহুড পাবেন। অথচ তাঁকে কখনও নাইটহুড দেওয়া হবে না। কারণ, তাঁকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। মজা করে একবার এই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন বয়কট। ২০১৭ সালে তাঁকে এই মন্তব্য করার জন্য ক্ষমাও চাইতে হয়। প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে’‌র দারুণ প্রিয় বয়কট। বিভিন্ন সময় তিনি বয়কটের প্রশংসাও করেছেন। গত বছর বয়কটকে নাইটহুড দেওয়ার প্রসঙ্গে বিতর্ক উঠতে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, ‘‌বয়কট সবসময়ই আমার প্রিয় ক্রিকেটার। ওর সম্পর্কে আপনারা কী জানেন?‌ শেষ পর্যন্ত রান করে গেছেন।’‌ 
বিশ্বকাপ ফাইনালে দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলে ইংল্যান্ডকে চ্যাম্পিয়ন করার পর দাবি উঠেছিল বেন স্টোকসকে নাইটহুড দেওয়া হোক। কিন্তু স্টোকসের কপালে এবার নাইটহুড সম্মান জুটল না। বয়কট ও স্ট্রসকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। দেশের হয়ে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করেছেন এই দুই ক্রিকেটার। ইংল্যান্ডকে দীর্ঘদিন নেতৃত্বও দিয়েছেন। এনে দিয়েছেন অনেক সাফল্য। দেশের হয়ে ১০৮টি টেস্ট খেলেছেন বয়কট। করেছেন ৮,১১৪ রান। আর স্ট্রস খেলেছেন ১০০ টেস্ট। রান করেছেন ৭,০৩৭। তাঁর নেতৃত্বে ২০০৯ ও ২০১০–’‌১১ সালে অ্যাশেজ জিতেছিল ইংল্যান্ড। ১৯৮৬–’‌৮৭ মরশুমে মাইক গ্যাটিংয়ের নেতৃত্বে শেষবার অস্ট্রেলিয়ার মাটি থেকে অ্যাশেজ জিতে ফিরেছিল ইংল্যান্ড। তারপর ২০১০–’‌১১ মরশুমে স্ট্রসের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অ্যাশেজ জেতে তারা।
বয়কট ও স্ট্রস নাইটহুড সম্মানে ভূষিত হওয়ায় দারুণ খুশি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের চিফ এগজিকিউটিভ টম হ্যারিসন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘‌বয়কট এবং স্ট্রস নাইটহুড সম্মান পাওয়ায় আমরা খুশি। মাঠ এবং মাঠের বাইরে দুজনই দারুণ মানুষ। ক্রিকেট বিশ্বের কাছে তারিফযোগ্য। দুজনকেই বোর্ডের পক্ষ থেকে অভিনন্দন।’‌
 

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top