‌আজকালের প্রতিবেদন
জাকার্তা এশিয়াডে ৪০০ মিটারে জাতীয় রেকর্ড। তার আগে জুনিয়র বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা। তারপরই ছন্দপতন হিমা দাসের। পিঠের ব্যথার জন্য ৪০০ মিটারে আর ভাল ফল করতে পারেননি। তবে ২০০ মিটারে চোট প্রভাব ফেলেনি। পোল্যান্ড ও চেক রিপাবলিকে ২০০ মিটারের ৫টি দৌড়ে জয়ী হন। তারপর অনেকটা সময় চলে গেছে। করোনা সংক্রমণ ও লকডাউনের জন্য অনুশীলন থেকে সরে থাকতে বাধ্য হয়েছিলেন হিমা। তবে চোট সারানোর কাজ চলছিল সমানতালে। এখন অনুশীলনও শুরু করেছেন। পাতিয়ালা শিবিরে নিজেকে ফিট রাখতে ফিজিক্যাল ট্রেনিংয়ের পাশাপাশি সাইক্লিং করছেন, এমনকী ক্রিকেটও খেলছেন হিমা। মূলত বোলিং অনুশীলন। চোট সারিয়ে এখন অনেক ফিট, পুরনো ফর্মে ফিরতে মরিয়া। 
এখন প্রশ্ন, পুরোদমে অনুশীলন শুরু হলে হিমার চোট সমস্যা আর দেখা দেবে কি না?‌ ৪০০ মিটারে হিমা তাঁর সেরা সময় করতে পারবেন কি না, সেটা সময়ই বলবে। অ্যাথলেটিক ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার সভাপতি আদিল সুমারিওয়ালা সম্প্রতি জানিয়েছিলেন, ‘ধীরে ধীরে লোড বাড়বে। যদি দেখা যায়, ৪০০ মিটার দৌড়তে গেলে হিমার সমস্যা হচ্ছে, তখন ২০০ মিটারে ওকে কনসেনট্রেট করতে বলতে পারেন কোচ, ট্রেনাররা। অবশ্য পরের টুর্নামেন্টে নামার আগে এখনও অনেক সময় আছে। তাই এটা শুধুই একটা প্রাথমিক ভাবনা।’‌ 
ধিং এক্সপ্রেস হিমা এ সব নিয়ে এতটুকু চিন্তিত নন। নিজ রাজ্য অসমের এক পরিচিত সাংবাদিককে হিমা বলেন, ‘চোট সারাতে যা যা করার, কোচ ও ট্রেনারের নির্দেশ মেনে তা করছি। এখানে বেশ গরম। তাই ওঁরা ধীরে ধীরে লোড বাড়াচ্ছেন। এখন আমি আগের তুলনায় অনেক বেশি ফিট। ৪০০, না ২০০ মিটার, কোন ইভেন্টে দৌড়লে ভাল হবে, সেটা ঠিক করবেন এএফআই ও কোচ।’‌ 
অলিম্পিক কোয়ালিফিকেশন নিয়েও উদ্বিগ্ন নন হিমা। তাঁর মতে, এক বছর পরে টোকিও অলিম্পিক। অনেকটা সময় হাতে আছে কোয়ালিফাই করতে। কোনও তাড়াহুড়ো করতে চান না। সব ঠিকঠাক চললে ১ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মরশুম আবার শুরু হবে। এএফআই ১২ সেপ্টেম্বর ঘরোয়া মরশুম শুরুর দিন ঠিক করেছে। অতিমারীর কারণে সেটা পিছিয়ে যেতে পারে। তবে প্রতিযোগিতা শুরু হলে অন্যদের তুলনায় পিছিয়ে না থাকতে নিজেকে ফিট রাখতে চান হিমা।‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top