সংবাদ সংস্থা: আগস্টের ২৪ তারিখ ‘‌চব্বিশ’‌–এর স্পর্ধা দেখল বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ। পি ভি সিন্ধু, নাওমি ওকুহারা, রাতচানক ইন্তানন। ভারত, জাপান আর থাইল্যান্ডের তিন ব্যাডমিন্টন তারকা জমিয়ে দিলেন সেমিফাইনাল। 
প্রথম সেমিফাইনালে নেমেছিলেন সিন্ধু। ৪০ মিনিটেই পেলেন ফাইনালের টিকিট। অল ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন চীনের চেন ইউ ফেইকে ২১–৭, ২১–১৪ ফলে উড়িয়ে। টানা তৃতীয়বার বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে তিনি। গত দু’‌বার রুপো জিতে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। আর একবার সোনা জয়ের হাতছানি। চেন এদিন শুরু থেকেই একের পর এক আনফোর্সড এরর করেন। প্রথম গেমের প্রথম বিরতিতে সিন্ধু ১১–৩ এগিয়ে ছিলেন। তারপর ২১–৭ জেতেন। দ্বিতীয় গেমে অবশ্য চেন শুরুটা ভাল করেছিলেন। শুরুতে ৩–৩ ছিল। তারপর চাপ বাড়ান সিন্ধু। ১০–৬ এগিয়ে যান। ব্যাকহ্যান্ডে চেনের দুর্বলতার সুযোগ নেন সিন্ধু। ২১–১৪ জিতে যান। 
দ্বিতীয় সেমিফাইনালে অবশ্য লড়াই ছিল অনেক কঠিন। ইন্তানন আর ওকুহারা একে–অন্যকে এক মুহূর্তের জন্যও জমি ছাড়ছিলেন না। পিছিয়ে পড়েও ওকুহারা শেষ পর্যন্ত জিতেছেন ১৭–২১, ২১–১৮, ২১–১৫ ফলে। প্রথম গেম ইন্তানন বুদ্ধি ও গতির জোরে বের করেন ২১–১৭–তে। দ্বিতীয় গেমে দুরন্ত লড়াই করেন ওকুহারা। লং র‌্যালি দেখা যায়। ওকুহারা জেতেন ২১–১৮–তে। শেষ গেমে অবশ্য পরপর কয়েকটা ভুল করেন ইন্তানন। তাঁকে ক্লান্ত মনে হচ্ছিল। পায়ে চোটও পান। তৃতীয় গেম ওকুহারা জিতে নেন ২১–১৫ ফলে। রবিবার ফাইনালে সিন্ধু–ওকুহারা মুখোমুখি। এর আগে ১৫ বার দেখা হয়েছে দু’‌জনের। সিন্ধু ৮ বার, ওকুহারা ৭ বার জিতেছেন। 
ফাইনালে ওঠার মুহূর্তে সিন্ধু ছিলেন খুবই সংযত। বারবার ফাইনালে আটকে যাওয়া নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করতে বলেন, ‘‌রবিবারের ম্যাচটা সম্পূর্ণ আলাদা। আমি ১০০ শতাংশ দেব, এই প্রতিশ্রুতি দিতে পারি। ওকুহারার বিরুদ্ধে নতুন করে পরিকল্পনার কিছু নেই। একে–অন্যের দুর্বলতা ও শক্তি জানি।’‌ 
সিন্ধু জিতলেও, পুরুষদের সেমিফাইনালে হেরে গিয়েছেন ভারতের বি সাই প্রণীথ। বিশ্বের ১ নম্বর কেন্তো মোমোতার কাছে  ১৩–২১, ৮–২১ ফলে। ব্রোঞ্জ জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হল তাঁকে। ১৯৮৩ সালে প্রকাশ পাড়ুকোন ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে। দ্বিতীয় ভারতীয় পুরুষ হিসেবে ব্রোঞ্জ জিতলেন প্রণীথ। ‌‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top