দেবাশিস দত্ত: লর্ডস ক্রিকেট মাঠের সিইও গাই ল্যাভেন্ডার এক নিঃশ্বাসে শুরুতেই চারটি হাসপাতালের নাম উল্লেখ করলেন। লন্ডন ইউনিভার্সিটি কলেজ হাসপাতাল, সেন্ট জন’‌স হাসপাতাল, সেন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল এবং ওয়েলিংডন হাসপাতাল। 
সেন্ট জন’‌স উড স্টেশনে নেমে লর্ডস যাওয়ার পথেই ওয়েলিংডন হাসপাতাল। উল্টোদিকেই অরবিন্দ ডি’‌সিলভা এবং অর্জুন রণতুঙ্গার বাড়ি। এই হাসপাতালে একদা চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলির বাবা চণ্ডী গাঙ্গুলি। এই হাসপাতাল থেকে ২০১৯ বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে এসেছিলেন চিত্রতারকা ইরফান খান। চারটি হাসপাতালেই জায়গা নেই। ইংল্যান্ডে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার ছাড়িয়েছে। তাই লর্ডস কর্তৃপক্ষ এগিয়ে এসেছেন তাঁদের ৭৫টি গাড়ি রাখার গ্যারাজ এবং স্টোর নিয়ে। এই চারটি হসপিটাল অস্থায়ীভাবে এই জায়গায় চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা হবে।
লর্ডসের কমিউনিকেশন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ক্লেয়ার স্কিনার জানালেন, তাঁরা বাড়ি থেকেই কাজ করছিলেন। তবে এবার লর্ডসে যেতে হবে অস্থায়ী হাসপাতালের কাজকর্মের তদারকিতে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও প্রিন্স চার্লস করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সিইও জানালেন, লন্ডনের হারভেস্ট ফুড কোম্পানির মাধ্যমে লর্ডসের কর্তারা পিছিয়ে–থাকা মানুষদের জন্য খাবার সরবরাহ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ‘‌মানুষ এখন অসহায়। লর্ডস তাই ওদের পাশে দাঁড়াতে চাইছে।’‌ তিনিই জানালেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে দিনে অন্তত তিনবার লর্ডস পরিষ্কার করানো হচ্ছে। পর্যটকদের প্রবেশাধিকার আপাতত বন্ধ। সেমিনার, পার্টি বন্ধ। এমনকী, গ্রেম গ্রেটের লাগোয়া লর্ডস ট্যাভার্ন পানশালাও বন্ধ। বন্ধ ইনডোর ক্রিকেট কোচিং সেন্টার। আপাতত লর্ডস জুড়ে করোনা থেকে রোগীদের বাঁচানোর তোড়জোড়।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top