সংবাদ সংস্থা
লন্ডন, ২৮ জুন

ইউএস ওপেনে খেলবেন নাকি ফ্রেঞ্চ ওপেনে?‌ দোটানায় রাফায়েল নাদাল। অন্যদিকে পরপর টুর্নামেন্ট হলে সেটা প্লেয়ারদের জন্য কতটা নিরাপদ হবে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন অ্যান্ডি মারে। মার্চের মাঝামাঝি থেকে টেনিস বন্ধ। আগস্টের আগে কোনও টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ৩১ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর ইউএস ওপেন হওয়ার কথা। পনেরো দিন বাদে ফ্রেঞ্চ ওপেন। তার মাঝে মাদ্রিদ এবং রোমে মাস্টার্স ইভেন্ট রয়েছে ক্লে কোর্টে। এই দুটি টুর্নামেন্টও অতিমারীর জেরে পিছিয়ে গিয়েছে। এই সব নিয়েই চিন্তিত স্পেনের টেনিস তারকা। নাদালের কাকা টনি নাদাল বলেছেন, ‘‌রাফার সঙ্গে বিষয়টা নিয়ে কথা বলেছি। ও দ্বিধায় রয়েছে। কোন টুর্নামেন্টে খেলবে বুঝতে পারছে না। এই সূচি অবাস্তব। বয়স বেড়েছে যাদের, তাদের জন্য আরও বেশি। তাদের পক্ষে কোনও মতেই সপ্তাহের পর সপ্তাহ খেলে যাওয়া সম্ভব নয়। এটিপি–র ভাবনায় ভুল আছে। এই ধরনের সিদ্ধান্ত রাফা, জকোভিচের মতো প্লেয়ারদের বিরুদ্ধেই যাচ্ছে।’‌ 
পরপর টুর্নামেন্ট হলে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটে বেড়াতে হবে। দীর্ঘদিন কোর্ট থেকে দূরে থাকার পর সেটা কি সত্যিই সম্ভব হবে?‌ চিন্তিত মারে বলেছেন, ‘‌প্লেয়াররা দীর্ঘদিন কোর্টে নামেনি। সেখানে ফিরেই নিউ ইয়র্কে সেমিফাইনাল বা ফাইনালে খেলে যদি ছুটতে হয় ক্লে কোর্টে খেলতে তা হলে সেটা কতখানি নিরাপদ হবে সেটাই ভাবাচ্ছে। আমার মতে র‌্যাঙ্কিংয়ের ব্যাপারে ভাবনা–চিন্তা করা উচিত।’‌  গত বছর তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছিল। অতিমারীর জেরে দীর্ঘ বিরতি পারফরমেন্সে কি প্রভাব ফেলতে পারে?‌ আত্মবিশ্বাসী মারে বলেছেন, ‘‌প্র‌্যাকটিসের জন্য কিছুদিন সময় দরকার। সেটা করতে পারলেই সমস্যা হবে না। আবার আমাকে সেরা ছন্দে দেখতে পারবেন।’‌ ‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top