আজকালের প্রতিবেদন: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির প্রয়াণে ভারতের ক্রিকেট মহল শোকাহত। অতীতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সহ–সভাপতি ছিলেন জেটলি। দিল্লি ক্রিকেট সংস্থার (‌ডিডিসিএ)‌ সভাপতির গুরুদায়িত্বও পালন করেছেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক ক্রিকেটারই শোকজ্ঞাপন করেছেন জেটলির মৃত্যুতে।
বিরাট কোহলি:‌ শ্রী অরুণ জেটলি জির প্রয়াণের খবর অত্যন্ত দুঃখের। আমি স্তম্ভিত। সত্যিকারের ভালমানুষ ছিলেন তিনি। সবসময় চাইতেন অন্যদের সাহায্য করতে। ২০০৬–এ আমার বাবা মারা যাওয়ার পর সময় বের করে তিনি আমাদের বাড়িতে এসেছিলেন শ্রদ্ধা জানাতে। 
বীরেন্দ্র শেহবাগ:‌ অরুণ জেটলি জির মৃত্যুতে যন্ত্রণা অনুভব করছি। দিল্লির অনেক প্লেয়ারের দেশের হয়ে খেলার পেছনে উনি বিরাট ভূমিকা পালন করেছেন। একটা সময় ছিল, যখন দিল্লির খুব বেশি প্লেয়ার সর্বোচ্চ স্তরে খেলার সুযোগ পেত না।
গৌতম গম্ভীর:‌ বাবা কথা ফোটাতে শেখায়। কিন্তু পিতৃতুল্য কেউ কথা বলতে শেখায়। বাবা হাঁটতে শেখায়। কিন্তু পিতৃতুল্য কেউ শেখায় এগিয়ে যেতে। বাবা নাম দেয়। কিন্তু পিতৃতুল্য কেউ পরিচয় দেয়। আমার পিতৃতুল্য শ্রী অরুণ জেটলি জির প্রয়াণে আমার শরীরের একটা অংশ শেষ হয়ে গেল। 
ভিভিএস লক্ষ্মণ:‌ খুব দুঃখজনক। ওঁর পরিবার, বন্ধু এবং অনুরাগীদের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা। 
শিখর ধাওয়ান:‌ আরআইপি (রেস্ট ইন পিস)। আপনার পরিবার, যারা আপনাকে ভালবাসে, তাদের প্রতি সমবেদনা জানাই।‌
অনিল কুম্বলে:‌ অরুণ জেটলির অকাল প্রয়াণে শোকাহত। ক্রিকেট নিয়ে ওঁর সঙ্গে আড্ডা ভুলব না। বিভিন্ন জগতে ওঁর অবদান অতুলনীয়। পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা।
আকাশ চোপড়া:‌ অরুণ জেটলি আর নেই। আমি মর্মাহত। অত্যন্ত শিক্ষিত মানুষ। সত্যিকারের ক্রিকেটপ্রেমী। সবসময় সবার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতেন উনি। আরও একটা ব্যাপার, যারা অনূর্ধ্ব ১৯ স্তরে ভাল খেলত, তাঁদের নামও মনে রাখতেন। 
 

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top