সংবাদ সংস্থা, দিল্লি, ৯ জুলাই

মুদ্রার দুটো দিক। লকডাউনেরও তাই। ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দুটো দিকই খুঁজে বের করলেন মহম্মদ সামি। তাঁর মতে, লকডাউনের জেরে ক্রিকেটাররা পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাচ্ছেন। শারীরিক ফিটনেস বাড়ছে। তবে দীর্ঘদিন ম্যাচ না খেলায় ছন্দ হারাচ্ছেন প্রত্যেকেই। 
আনলক ২–এ মেট্রো শহরে থাকা ভারতীয় ক্রিকেটাররা যখন অনুশীলন শুরু করতে পারেননি তখন সাহাসপুরে পৈতৃক বাড়িতে অনুশীলন শুরু করেছেন সামি। লকডাউনের প্রভাব ক্রিকেটারদের ওপর কতটা পড়ছে জানতে চাওয়ায় সামি বলেছেন, ‘‌দেখুন ব্যাপারটা দু’‌দিক দিয়ে দেখতে হবে। ভারতীয় দলের সব সময় ঠাসা সূচি থাকে। এই হঠাৎ পাওয়া ছুটিটা আমাদের ক্লান্তি কাটাতে সাহায্য করছে। বাড়িতে ট্রেনিং করে ফিটনেসও বাড়ছে। তবে শুধু ফিট থাকলে তো হল না?‌ ছন্দে থাকাও দরকার। দীর্ঘদিন ম্যাচ না খেলে ছন্দ হারাচ্ছে।’‌
তবে ভারতীয় দলের যখন ক্যাম্প শুরু হবে তখন তাঁর খুব একটা সমস্যা হবে বলে মনে করেন না সামি। বলেছেন, ‘‌চোট পেয়ে মাঠের বাইরে বসে থাকা আর অতিমারীর জেরে ক্রিকেট থেকে দূরে থাকা— দুটো সম্পূর্ণ আলাদা ব্যাপার। আমি লাকি। নিয়মিত ট্রেনিং করছি তাই আড়ষ্ট লাগছে না।’‌
বলে থুতু লাগানো আপাতত নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি। পুরনো অভ্যেস বদলানোর চেষ্টা করছেন?‌ সামির জবাব, ‘‌নেটে বল করার সময় মাঝে–মধ্যে মনে থাকছে না। কিন্তু মনে পড়লেই নিজেকে শাসন করছি। বলছি, থুতু লাগানো চলবে না। ট্রেনিংয়ের সময় এই ব্যাপারটায় বাড়তি সতর্ক থাকার চেষ্টা করছি। পুরনো অভ্যেস বদলে নতুন অভ্যেস তৈরি হতে সময় লাগছে। তবে ধীরে ধীরে রপ্ত হয়ে যাবে।’‌ বলে থুতু না লাগালে কি রিভার্স সুইং হবে?‌ সামি বলেছেন, ‘‌ঠিক জানি না। কারণ বলে থুতু লাগানোর অভ্যেসটা পুরনো। আমরা বোলাররা যখন থেকে খেলা শুরু করেছি, তখন থেকেই বলে থুতু লাগাতে অভ্যস্ত। নতুন নিয়মে আগে অভ্যস্ত হই। তারপর রিভার্স সুইংয়ের ব্যাপারটা বলতে পারব।’‌
ক্রিকেটে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট জরুরি। কিন্তু দীর্ঘ বিরতির পর যখন ক্রিকেট শুরু হবে তখনও কি সেটা দরকার?‌ সামি বলেছেন, ‘‌আমাদের দলের ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট দুর্দান্ত। কিন্তু দীর্ঘ বিরতির পর সেটা দরকার আছে বলে মনে হয় না। এই মুহূর্তে আমি চাই ক্যাম্পে যোগ দিতে। প্র‌্যাকটিস করে ম্যাচ খেলার জন্য প্রস্তুত হতে।’‌ ‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top