আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ নাবালিকা টেনিস খেলোয়াড়কে শ্লীলতাহানির দায়ে অভিযুক্ত জুনিয়র ডেভিস কাপার। আবার সেই জুনিয়র ডেভিস কাপার বয়স ভাঁড়ানোর দায়ে অভিযুক্ত। বয়স ভাঁড়ানোর ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন জাতীয় টেনিস সংস্থার সচিব হিরন্ময় চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, ‘‌এই অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। চন্ডীগড় টেনিস সংস্থার কাছে জবাব চেয়েছি। কিন্তু বিষয়টি বিচারাধীন। ফলে জাতীয় সংস্থার কিছু করার নেই। 
এরকম ঘটনা ঘটেছে চন্ডীগড় টেনিস সংস্থায়। সেখানে নাবালিকা শিক্ষার্থী শ্লীলতাহানির শিকার। ২০১৯ সালে জুলাই মাসের ঘটনা। আগস্টে স্থানীয় থানায় এফআইআর করা হয়েছিল নাবালিকার পরিবারের পক্ষ থেকে। কিন্তু এই ব্যাপারটা এতদিন পর প্রকাশ্যে এল। 
সেই পরিবারের বিরুদ্ধেও আবার পাল্টা অভিযোগ করেছেন চন্ডীগড় টেনিস সংস্থার কর্তাদের একজন। সেই নাবালিকার বাবা এরপর জুনিয়র ডেভিস কাপারের বয়স ভাঁড়ানোর অভিযোগ প্রমাণে উঠে পড়ে লাগেন। তিনি চন্ডীগড়ে জুনিয়র ডেভিস কাপারের স্কুলে গিয়ে জন্ম সার্টিফিকেট দেখে বয়স ভাঁড়ানোর অভিযোগ সত্যি বলে প্রমাণ করেন। প্রমাণপত্র দিয়ে তিনি যাবতীয় নথি জমা দিয়েছেন টেনিস সংস্থায়। কিন্তু ফুৎকারে তা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সংবাদসংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেই নাবালিকার বাবা বলেছেন, ‘‌বয়স ভাঁড়ানোর অভিযোগ প্রমাণ করার পরেও সংস্থায় তার উন্নতি হয়েছে। সাসপেন্ড করার বদলে বিভিন্ন ক্যাম্পে ডাক পাচ্ছে সে। টাকাও রোজগার করছে অভিযুক্ত।’‌ 
ঘটনা যে দিকে মোড় নিচ্ছে তা মারাত্মক। পুলিশি তদন্ত কার্যত শুরু হয়নি। অভিযুক্তদের ধরা দূরের কথা, জিজ্ঞাসাবাদ পর্যন্ত করা হয়নি। নাবালিকার পরিবার তাই সময়ের অপেক্ষায়। কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে বিচার না পেলে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে নাবালিকার পরিবার। 
 

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top