‌সংবাদ সংস্থা, ব্রিসবেন: অস্ট্রেলিয়া সফরের প্রথম টেস্টের প্রথম দিনেই শেষ হয়ে গেল পাকিস্তানের ইনিংস। সারাদিন ব্যাট করেও ২৪০ রানের বেশি তুলতে পারেনি তারা। ৮৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলে পাকিস্তানের শেষ ব্যাটসম্যান নাসিম শাহ ফিরে যেতেই বৃহস্পতিবারের খেলা শেষ হয়। তবে পাকিস্তানের ব্যর্থতাকে ছাপিয়ে প্রথম দিনের শেষে আলোচনায় প্যাট কামিন্সের নো–বল।
প্রত্যাশামতোই পাকিস্তানের পেসার নাসিমের অভিষেক হয়। তার বয়স ১৬ বছর ২৯৭ দিন। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সবথেকে কম বয়সে অভিষেক হল নাসিমেরই। পাকিস্তান শুরুটা করেছিল ভালই। শান মাসুদ (‌২৭)‌ এবং আজহার আলি (‌৩৯)‌ অসি পেসারদের প্রাথমিক ধাক্কা সামলে নিয়েছিলেন। এই প্রথম গাব্বায় প্রথম সেশনে কোনও উইকেট ফেলতে পারলেন না অসি বোলাররা। কিন্তু এরপরেই পাকিস্তানের ব্যাটিং তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। পরপর চলে যায় পাঁচ উইকেট। মিচেল স্টার্ক, কামিন্স এবং জোশ হ্যাজেলউড তখন আগুন ঝরাচ্ছেন। একমাত্র আসাদ শফিক (‌৭৬)‌ বাদে কেউই দাঁড়াতে পারেনি। সব ক’‌টি উইকেট পেয়েছেন পেসাররাই। স্টার্ক ৪টে, কামিন্স ৩টে এবং হ্যাজেলউড ২টি উইকেট পান।
তবে ৫৫তম ওভারের একটি ডেলিভারি নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। কামিন্সের বলে খোঁচা দেন মহম্মদ রিজওয়ান (‌৩৭)‌, যা জমা পড়ে টিম পেইনের হাতে। রিপ্লে–তে দেখা যায় কামিন্সের গোড়ালি লাইনের ওপরে পড়েছে, যা নিয়ম অনুযায়ী নো–বল। তবে সবাইকে অবাক করে তৃতীয় আম্পায়ার মাইকেল গফ আউট দেন রিজওয়ানকে। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ অ্যালান বর্ডার। প্রাক্তন অসি অধিনায়ক ধারাভাষ্যে বলেছেন, ‘‌আমি বুঝতে পারছি না কী করে এটাকে বৈধ ডেলিভারি দেওয়া হল।’‌ একই সুর রিকি পন্টিং এবং জেসন গিলেসপিরও। গিলেসপি বলেছেন, ‘‌পুরোপুরি ভুল সিদ্ধান্ত। ওটা স্পষ্ট নো–বল ছিল।’‌ পন্টিং বলেন, ‘‌কামিন্সের পায়ের কোনও অংশই লাইনের পিছনে ছিল না।’‌‌‌

কামিন্সের বোলিংয়ের সেই বিতর্কিত মুহূর্ত। ছবি: টুইটার

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top