আজকালের প্রতিবেদন: গোটা শিবির জুড়েই খোলা হাওয়া। নইলে সাংবাদিকদের মুখোমুুখি দাঁড়িয়ে মোহনবাগান মাঝমাঠের প্রাণভ্রোমরা জোসেবা বেইতিয়া যখন কথা বলছিলেন, তখন তাঁরই সতীর্থ ফ্রান গঞ্জালেস কেন বেইতিয়াকে প্রশ্ন করে বসবেন? হাসতে, হাসতে গঞ্জালেসের প্রশ্ন বেইতিয়াকে : ‘আমার সঙ্গে খেলতে তোমার কেমন লাগে?’ হেসে ফেললেন বেইতিয়া। উত্তর দিলেন,‘আমার মাইনাসগুলো ঠিক তোমার মাথায় গিয়ে পড়ে আর তুমি হেড করে গোল বাড়িয়ে যাচ্ছ।’ হাসির রোল যুবভারতীর প্র্যাকটিস মাঠে বুধ–সন্ধেয়।
শনিবার ট্রাউয়ের বিরুদ্ধে খেলতে শহর ছাড়বেন বেইতিয়ারা। তার আগে নিজেদের ঝালাই করে নেওয়া প্রতিদিনই। পয়েন্টের নিরিখে আই লিগের বাকি দলগুলোর থেকে অনেক, অনেক এগিয়ে মোহনবাগান। কোথায় গিয়ে শেষ করতে চান বেইতিয়ারা? উত্তর পাওয়া গেেছ তাঁর কাছ থেকেই। ‘আমরা কোথায় গিয়ে শেষ করতে চাই, সেটা নিয়ে আলোচনা হয়নি। আমরা সবাই একটা, একটা ম্যাচ ধরে এগোতে চাইছি। সামনের ম্যাচগুলো জেতাই আমােদর একমাত্র লক্ষ্য। কত পয়েন্টে চ্যাম্পিয়ন হব, সেগুলো ভাবছি না। প্রতিটা ম্যাচ জিততে হবে, সেটাই মাথায় রয়েছে। শুনছি, অনেকেই বলছেন যে সামনের দু–তিনটি ম্যাচ জিতলেই আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাব, ফিরতি ডার্বি খেলতে নামার আগেই। আমরা সত্যি এইসব কথা কানে দিচ্ছি না। ম্যাচগুলো জিততে হবে সেটা আসল। তাই আমাদের কাছে ট্রাউয়ের ম্যাচটা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেটা জিততে পারলে আরও কিছুটা এগোনো যাবে।’
নিজের কোনও ব্যক্তিগত ‘লক্ষ্য’ েনই বেইতিয়ার। তিনি বলছেন,‘দল চ্যাম্পিয়ন হলে সেটাই ভাল লাগবে আমার। নিজের কোনও লক্ষ্য নেই। যতটা সম্ভব দলকে সাহায্য করাই আমার কাজ। সেটা করতে পারলেই আমি খুশি।’ আই লিগের কোন ম্যাচটা নিজের কাছে সেরা মনে করছেন মোহনবাগানের মধ্যমণি। বেইতিয়া জানিয়েছেন,‘কল্যাণীতে নেরোকার বিরুদ্ধে ৬–২ গোলে জয়টি সেরা। ইস্টবেঙ্গল ম্যাচটাও ভাল ম্যাচ ছিল।’

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top