আজকাল ওয়েবডেস্ক: শাস্তি কমানোর পর মাঠে ফিরেছেন শান্তাকুমারন শ্রীসন্থ। কেরালার হয়ে লিস্ট এ ম্যাচ খেলা শুরু করে দিয়েছেন। কিন্তু ২০২১ আইপিএলের নিলামে তাঁকে ব্রাত্য রাখে সবক’টা ফ্র্যাঞ্চাইজি। তাতে মনোবল হারাননি একেবারেই, বল হাতেই দিলেন উপেক্ষার জবাব। বিজয় হাজারে ট্রফিতে উত্তরপ্রদেশের বিরুদ্ধে নিলেন পাঁচ উইকেট। শ্রীসন্থের দাপটেই ২৪২/৪ থেকে ২৮৩ রানে অলআউট হয়ে গেল উত্তরপ্রদেশ।
স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারীতে তাঁকে যাবজ্জীবন নির্বাসন দিয়েছিল বিসিসিআই। ২০১৯ সালে সুপ্রিম কোর্ট শাস্তির মেয়াদ কমিয়ে সাত বছর করে ফলে, ২০২১ থেকে সব ধরনের ক্রিকেটে ফেরার সুযোগ পান শ্রীসন্থ। সুযোগের রীতিমতো সদ্ব্যবহার করছেন তিনি। বিজয় হাজারে ট্রফিতে দুই ম্যাচ খেলে তুলে নিয়েছেন সাত উইকেট। দ্বিতীয় ম্যাচের বোলিং ফিগার ৯.৪-৬৫-৫। ইনিংসের শুরুটা খুব ভাল না হলেও, ডেথ ওভারে মাত করে দিয়েছেন শ্রী। 
বিতর্ক মাথাচাড়া দিচ্ছে খুব স্বাভাবিকভাবেই। ২০ লক্ষ টাকার বেস প্রাইসে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজিতে প্রচুর অনামী তরুণ পেসার সুযোগ পেয়েছেন। ২০-২০ এবং ৫০ ওভারের ক্রিকেটে বিশ্বজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য শ্রীসন্থের যা দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা তাতে তাঁকে পেলে লাভবান হত যে কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি। বয়সের সমস্যা কোনও সমস্যাই নয়, যেখানে মহেন্দ্র সিং ধোনি, হরভজন সিং-রা ৪০ পেরিয়েও খেলে চলেছেন। শ্রীসন্থের মতোই ৩৮ বছর বয়সে পাঁচদিনের ক্রিকেটে দাপাচ্ছেন জেমস অ্যান্ডারসন। 
জাতীয় দলের জার্সিতে সুযোগ না পাওয়ার কারণ বোধগম্য। পেছনে না তাকিয়ে তরুণ প্রতিভাদের তৈরি করার ‘মোটো’ প্রায় সব দেশেরই থাকে। কিন্তু ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে তো সে সমস্যা নেই। এক মরসুমে ব্যর্থ হলে ছুড়ে ফেলে দেওয়া যায়। তা সত্ত্বেও কোন ‘গোপন’ কারণে দল পেলেন না, তা ঈশ্বরই জানেন। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলিকে কোনও ‘অলিখিত’ নির্দেশ দিয়ে রেখেছে কিনা বিসিসিআই তাই বা কে জানে। মোদ্দা কথা হল, ফেরার সুযোগ পেয়েও ফিরতে পারছেন না শ্রীসন্থ। নাকি ফিরতে দেওয়া হচ্ছে না?          
 

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top