আজকালের প্রতিবেদন- দেশে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কবে ফিরবে তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। লকডাউন শিথিল হতেই করোনা আতঙ্ক কাটিয়ে খুদে ক্রিকেটারদের নিয়ে মাঠে নেমে পড়লেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। ব্যাট–বল ছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনেই বুধবার থেকে তাঁর বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে শুরু হল অনুশীলন। লকডাউনের পর দেশে এই প্রথম কোনও অ্যাকাডেমিতে শুরু হল অনুশীলন।
কয়েকদিন ধরেই অ্যাকাডেমিতে অনুশীলন শুরু করার কথা ভাবছিলেন লক্ষ্মীরতন। খুদে ক্রিকেটারদের অভিভাবকদের সঙ্গে অনুশীলন শুরুর ব্যাপারে কথাও বলেন। ৩০ জন ক্রিকেটারকে দুটি গ্রুপে ভাগ করে অনুশীলন শুরু হয়েছে। ব্যাট ও বল ছাড়াই ট্রেনিং করাচ্ছেন লক্ষ্মী। সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে চলা হচ্ছে। আপাতত ফিজিক্যাল ট্রেনিংয়ের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। পরে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং অনুশীলন শুরু হবে। ফিটনেস ট্রেনিংয়ের সময় প্রতিটা ক্রিকেটারের মধ্যে ১৫ ফুটের দূরত্ব রাখা হচ্ছে। ক্রিকেটারদের মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বুধবার ট্রেনিং শুরুর আগে প্রতিটা ক্রিকেটারের শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয়। হাত স্যানিটাইজ করে তারপর মাঠে নামার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
আপাতত ১৩ বছরের ওপর যাদের বয়স তাদের নিয়েই অনুশীলন শুরু হয়েছে। ক্রিকেটারদের গণপরিবহণ ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে। যারা সাইকেল, অভিভাবকদের সঙ্গে বাইক কিংবা নিজেদের গাড়িতে আসতে পারবে তাদেরই অনুশীলন করানো হবে। অনূর্ধ্ব ১৩ বছর বয়সি কোনও ক্রিকেটারকে অনুশীলনে আসতে দেওয়া হচ্ছে না। আপাতত সপ্তাহে ৪ দিন অনুশীলন করানো হবে।
অনুশীলন শুরু করার ব্যাপারে লক্ষ্মী বলেন, ‘‌সব যখন খুলে গেছে, মাঠ কেন খুলবে না। সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনেই অনুশীলন শুরু করেছি। শরীর যদি ফিট থাকে ভাইরাস আক্রমণ করতে পারবে না। শরীরচর্চার থেকে ভাল ওষুধ আর কিছু হতে পারে না। কীভাবে অনুশীলন শুরু করা যায় ১০ দিন ধরে ভেবেছি। তারপর ক্রিকেটারদের নিয়ে মাঠে নেমেছি। দেশে আমার বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতেই প্রথম অনুশীলন শুরু হল।’‌ তিনি আরও বলেন, ‘‌কয়েকটা বিষয়ে আমরা যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছি। মাস্ক ছাড়া কোনও ক্রিকেটারকে ট্রেনিংয়ে আসতে দেওয়া হবে না। মাঠে নামার আগে হাত স্যানিটাইজ করতে হবে।’‌ 

নিজেই থার্মাল স্ক্রিনিং করছেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। ছবি: কৌশিক কোলে

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top