আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ সুপার ওভারেও বিধ্বংসী লকি ফার্গুসন। তার আগে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। সুপার ওভারের প্রথম বলেই ফেরালেন হায়দরাবাদ অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারকে। দ্বিতীয় বলে এসেছিল ২। আর তৃতীয় বলে বোল্ড করলেন আবদুল সামাদকে। সুপার ওভারে ২ উইকেট পড়া মানেই শেষ ইনিংস। ফলে, জেতার জন্য ৬ বলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের দরকার ছিল মাত্র ৩ রান। রশিদ খানের চতুর্থ বলে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে গেল কলকাতা। রানটা তুলে নিলেন মর্গ্যান ও কার্তিক। প্লে–অফের লড়াইয়ে ফিরে এল নাইট রাইডার্স। ৯ ম্যাচে কলকাতার পয়েন্ট ১০। থাকল চার নম্বরে। সমসংখ্যক ম্যাচে হায়দরাবাদের ৮ পয়েন্ট। রয়েছে পাঁচে। 
ম্যাচ জিতলেও মর্গ্যানের অধিনায়কত্ব নিয়েও এবার প্রশ্ন উঠে গেল। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট নিয়ে দৌড়তে পারছেন না। তাও শেষ ওভারে তিনি বল দিলেন আন্দ্রে রাসেলকে। হায়দরাবাদের শেষ ওভারে দরকার ছিল ১৮ রান। রাসেল দিলেন ১৭। ম্যাচ গেল সুপার ওভারে। অথচ কুলদীপ যাদব বেশ ভালই বল করেছেন। তার ১ ওভার বাকি ছিল। একটা ওভার মাঝখানে তাঁকে দিলে কাজ চলে যেত। ম্যাচ হয়ত সুপার ওভারে যেতই না। 
টস জিতে এদিন কলকাতাকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল হায়দরাবাদ। ওপেনিং জুটিতে ৪৮ তোলেন শুভমান গিল ও রাহুল ত্রিপাঠী। গিলের অবদান ৩৬। রাহুলের সংগ্রহ ২৩। নীতিশ রান করলেন ২৯। রাসেল আবার ব্যর্থ। চলতি আইপিএলে রান নেই ক্যারিবিয়ান তারকার ব্যাটে। কেকেআরের রানকে ১৬৩/‌৫ এ পৌঁছে দিলেন অধিনায়ক মর্গ্যান (‌২৩ বলে ৩৪)‌ ও দীনেশ কার্তিক (‌১৪ বলে অপরাজিত ২৯)‌। কার্তিক মারলেন দুটি চার ও দুটি ছয়। হায়দরাবাদ বোলারদের মধ্যে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেন বিজয় শঙ্কর। রশিদ খান নিলেন ১ উইকেট। 
জবাবে হায়দরাবাদের শুরুও ভাল হয়েছিল। ওপেনিং জুটিতে ৫৭ রান তুলে ফেলেন বেয়ারস্টো (‌৩৬)‌ এবং কেন উইলিয়ামসন (‌২৯)‌। জুটিটা ভাঙেন লকি ফার্গুসন। চলতি আইপিএলে প্রথমবার খেলতে নেমেই কিউয়ি বোলার ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিলেন। তাঁর শিকার কেন উইলিয়ামনসন ছাড়া প্রিয়ম গর্গ ও মণীশ পাণ্ডে। শেষ দু’‌জনকে বোল্ড করলেন। অধিনায়ক ওয়ার্নার এদিন চার নম্বরে নেমেছিলেন। তিনি ৩৩ বলে ৪৭ রান করে অপরাজিত থাকলেন। ম্যাচ প্রায় জিতিয়েই দিয়েছিলেন। আবদুল সামাদ সাত নম্বরে নেমে ১৫ বলে ২৩ করে যান।
কলকাতার বোলারদের মধ্যে ফার্গুসন ছাড়া প্যাট কামিন্স পেলেন ১ উইকেট। বরুণ চক্রবর্তী পেলেন ১ উইকেট। 
 

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top