আজকালের প্রতিবেদন: ইস্টবেঙ্গল কোচ খালিদের ওপর চাপ প্রচন্ডভাবে বাড়তে শুরু করেছিল ফিরতি দফার ডার্বি হারের পর থেকে। প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে তাঁর ওপর বসানো হয়েছিল মনোরঞ্জন ভট্টাটার্যকে। ম্যানেজার হিসেবে দলের সঙ্গে থাকলেও ফুটবলারদের বিশেষ করে রক্ষণের ভুল ত্রুটি শুধরে দিন , এটাই চেয়েছেন ক্লাব কর্তারা। কিন্তু অনুশীলনে মনোরঞ্জনের সঙ্গে অসযোগিতা করে কর্তাদের বিরাগভাজন হন খালিদ। তাঁকে কর্তারা ডেকে তিরষ্কার করেন। এতে বেশ ভেঙে পড়েন ইস্টবেঙ্গল কোচ। ইন্ডিয়ান অ্যারোজ ম্যাচ শেষমুহূর্তের গোলে না জিতলে তিনি সেদিনই পদত্যাগ করে চলে যেতেন। তবে ম্যাচ জিতে থাকলেও খালিদের মুখ ছিল থমথমে। বেশ বুঝে গেছেন অ্যাওয়ে ম্যাচে ১৩ ফেব্রুয়ারি মিনার্ভার বিরুদ্ধে না জিতলে তাঁকে মুম্বই যাওয়ার টিকিট ধরিয়ে দেবেন কর্তারা। তাই তার আগেই রণে ভঙ্গ দিয়ে পালানোর রাস্তা খুঁজছেন। শোনা যাচ্ছে, সোমবার ক্লাব কর্তাদের সামনে তাঁকে দলের পারফরমেন্স ও নিজের আচরণ নিয়ে কড়া সমালোচনা শুনতে হয়েছে। এতে এতটাই মুষড়ে পড়েছিলেন দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে মুম্বই ফিরতে চেয়েছিলেন নাকি। শেষপর্যন্ত অবশ্য তাঁকে থাকতে রাজি করিয়েছেন কর্তারা। তবে খালিদকে নিয়ে যে একটা ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে সেটা বলাই বাহুল্য। দলের শীর্ষ কর্তা দেবব্রত সরকার অবশ্য এসব কথা মানতে চাননি। বলেন, বৃহস্পতিবার সল্টলেকে প্র‌্যাকটিস করাতে যাবেন খালিদ। 

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top