আজকালের প্রতিবেদন: বিশ্বমানের গোল করার পরও তিিন নির্লিপ্ত। ম্যাচের পর যখন কেভিন লোবোকে ফোনে ধরা হল বলে দিেলন, ‘আমার গোলটা ওয়ার্ল্ড ক্লাস গোল? সেটা তো আপনারা বলবেন। দলের তিন পয়েন্ট দরকার ছিল। ম্যাচ জেতায় দারুণ খুশি।’
গোলটা গোটা দলকে উৎসর্গ করছেন এই গোয়ানিজ ফুটবলার। পাশাপাশি কৃতজ্ঞ দলের ফিজিও গার্সিয়ার কাছে। মরশুমের শুরুতে চোট–আঘাতে ভুগছিলেন। লোবো বলছিলেন, ‘থ্যাঙ্কস গার্সিয়া। আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। আমার কামব্যাক করার পিছনে ওর অবদান অনেক।’ মরশুমের শুরুতে প্রথম একাদশে সুযোগ পেতেন না। ফিরে আসার লড়াইয়ে ক্লাবে সকালে অনুশীলনের পর বাড়ি ফিরে একা অনুশীলন করতেন। কেভিনের কথায়, ‘পিছনে ফিরে তাকাতে চাই না। কোচ যেটা ভাল মনে করেছেন, তাই করেছেন। আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ দলের জয়। আমাদের কাজ শেষ হয়নি। পরের ম্যাচটা আরও কঠিন।’
এ দিকে, ঘরের মাঠে প্রথম হারের পর ‘ভাগ্য’–কে দুষছেন মিনার্ভা কোচ খোগেন সিং। তঁার কথায়, ‘ম্যাচটা খুব কঠিন ছিল। আমরা চারটে সুযোগ পেয়েছিলাম, তা কনভার্ট করতে পারিনি। ওরা সুযোগ পেয়ে তা কাজে লাগিয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে লাক সাথে ছিল, তাই ম্যাচ জিতেছে।’
ডু অর ডাই ম্যাচ জিতে তৃপ্ত খালিদ। বলেন, ‘এই রেজাল্টে সবাই খুশি। আমরা পরের ম্যাচে ফোকাস করছি। কারণ, পরের ম্যাচও সমান গুরুত্বপূর্ণ।’ মিনার্ভার রক্ষণাত্মক ফুটবলে অবাক নন ইস্টবেঙ্গল কোচ। ‘ওরা সাধারণত ডিফেন্সিভ ফুটবলই খেলে। এবং কাউন্টার অ্যাটাকে আক্রমণ করে।’ লোবোর গোল হজম করার পরই মিনার্ভা তাদের গোলকিপার রক্ষিত দাগারকে তুলে নেন মিনার্ভা কোচ। তিনি বলেন, ‘দাগার গোলে থাকলে আমরা আরও বেশি গোল খেতাম। সমতা ফেরানোর আশা ছাড়তে হত। তাই তৎক্ষণাৎ গোলকিপার পরিবর্তন করেছি।’ মিনার্ভার ১৪ ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট। একই সংখ্যক ম্যাচে তিন পয়েন্ট পেছনে ইস্টবেঙ্গল। লাল–হলুদের পরের ম্যাচ গোকুলামের সঙ্গে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top