Atk Mohun Bagan: নাটকীয় ম্যাচের শেষ মিনিটে এটিকে মোহনবাগানকে এক পয়েন্ট দিলেন কাউকো

এটিকে মোহনবাগান - (উইলিয়ামস, কাউকো)

কেরল ব্লাস্টার্স - (লুনা)

আজকাল ওয়েবডেস্ক: নাটকীয় ম্যাচ। টানটান উত্তেজনা। দলকে হারের মুখ থেকে বাঁচালেন জনি কাউকো। ম্যাচ শেষ হওয়ার কয়েক সেকেন্ড আগে একেবারে শেষ মিনিটে ২-২ করেন ইউরো খেলা ফুটবলার। তিন পয়েন্ট খোয়ানোর বদলে মূল্যবান এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ল সবুজ মেরুন। অক্ষত থাকল ১২ ম্যাচে অপরাজেয় থাকার রেকর্ড। ১৬ ম্যাচ খেলে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত টেবিল শীর্ষে এটিকে মোহনবাগান। তবে হায়দরাবাদ-গোয়া ম্যাচের রেজাল্টের ওপরেই নির্ভর করছে টেবিলের ওঠা-নামা। নিজামের শহরের দল জিতলে বা ড্র করলে আবার দু'নম্বরে নেমে যাবে সবুজ মেরুন। এদিন দু'বার পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত কামব্যাক করে কলকাতার প্রধান। দু'বারই মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধান গড়ে দেয় ভাগ্য। সাত মিনিট অতিরিক্ত সময় দেন রেফারি। ম্যাচের শেষ মিনিটে স্কোরলাইন ২-২ হওয়ার পর বচসায় জড়িয়ে পড়ে দুই দলের কোচিং স্টাফ। লালকার্ড দেখানো হয় এটিকে মোহনবাগানের সহকারী কোচ বাস্তব রায়কে।

আজ জিতলেই হায়দরাবাদকে টপকে লিগ শীর্ষে যাওয়ার হাতছানি ছিল। তাই শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মনোভাব নিয়ে নেমেছিলেন লিস্টন, মানবীররা। চোট সারিয়ে ম্যাচে ফেরেন ম্যাকহিউ। ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় কেরল ব্লাস্টার্স।

৭ মিনিটে ফ্রিকিক থেকে গোল করেন আদ্রিয়ান লুনা। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে ম্যাচে সমতা ফেরায় সবুজ মেরুন। পিছিয়ে পড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ১-১ করেন উইলিয়ামস। প্রীতমের ক্রস থেকে চলন্ত বলে ডান পায়ের শটে নিখুঁত প্লেসিং অস্ট্রেলিয়ান স্ট্রাইকারের। প্রথম ৪৫ মিনিট ওপেন ফুটবল খেলে দুই দলই। প্রথমার্ধেই বেশ কয়েকটা সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু গোল সংখ্যা বাড়েনি। সামনে একা গোলকিপারকে পেয়েও তাঁর গায়ে মারেন লিস্টন। কেরলের বিজয়ের একটা শট পোস্টে লাগে। পেরেরা ডিয়াজের একটা নিশ্চিত গোল বাঁচান অমরিন্দর। 

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই উইলিয়ামসের পরিবর্তে হুগো বৌমাসকে নামান ফেরান্দো। এত তাড়াতাড়ি কেন এই বদল করলেন বোঝা গেল না। হুগো নামায় বদলে যায় দলের ফরমেশনও। বিরতির পর কেরলের প্রেসিং ফুটবল অব্যাহত থাকে। প্রথম মিনিটে সবুজ মেরুন বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন লুনা। কিন্তু বিপদ ঘটেনি। তবে বেশিক্ষণ দুর্গ অক্ষত রাখতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান। ৬৪ মিনিটে বিশ্বমানের গোলে আবার কেরলকে এগিয়ে দেন আদ্রিয়ান লুনা। মাঝমাঠ থেকে ভেসে আসা বল রিসিভ করে ডান পায়ের কোনাকুনি শটে তেকাঠিতে রাখেন কেরল অধিনায়ক। ম্যাচে সমতা ফেরানোর মরিয়া চেষ্টায় ৭১ মিনিটে ম্যাকহিউকে তুলে রয় কৃষ্ণকে নামান ফেরান্দো। ম্যাচের শেষলগ্নে আক্রমণের ঝড় তোলে এটিকে মোহনবাগান। কিন্তু গোলমুখ খুলতে শেষ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। সুযোগ পেয়েছিল কেরলও। ভিন্সির শট পোস্টে লাগে। ম্যাচের অতিরিক্ত সময় লালকার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন প্রবীর।

আকর্ষণীয় খবর