আজকালের প্রতিবেদন- ফেডারেশন সূত্রে খবর, চলতি মাসের শেষে বা মার্চের শুরুতে আইএসএল বিড ওপেন হতে পারে। আইএসএলের পরিচালন সংস্থা এফএসডিএল ও রিলায়েন্স গত দু মরশুমে তাদের প্রতিযোগিতার হাল দেখেই বুঝে গেছে কলকাতার দুই প্রধান ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান ছাড়া তাদের গতি নেই। মুখে সরাসরি না বললেও, তারা চায় আইএসএলে সামনের মরশুম থেকে খেলুক কলকাতার দুই বড় ক্লাব। ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান কর্তারা ইতিমধ্যেই ঠিক করে ফেলেছেন তারা আই এস এলে খেলবে। সদস্য-‌সমর্থকদের তেমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু একটা সময় পর্যন্ত সংশয় ছিল কলকাতার ফ্র‌্যাঞ্চাইজি দল এটিকের মনোভাব ঘিরে। আইএসএলের এক শহর এক দল তত্ত্ব মেনে চলতে গেলে কলকাতা থেকে এটিকে ছাড়া অন্য কোনও দলের খেলার কথা ছিল না চুক্তি অনুযায়ী। অন্তত আগামী মরশুম পর্যন্ত। এটিকে কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কার বক্তব্যে সেই সমস্যা মেটার ইঙ্গিত মেলে। তিনি বলেন, ‘‌ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান ভারতীয় ফুটবলে আমাদের বড়দা। তাই ওরা খেললে তো ভালই।’‌ এই বক্তব্যের পর ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানের আইএসএলে কলকাতা থেকে খেলতে অসুবিধা নেই। ইস্টবেঙ্গল সেটা বোঝার পরই আইএসএলে খেলার জন্য প্রস্তুতি শুরু করে। ‌তার প্রথম ধাপ ছিল দলের জন্য ভাল স্পনসর জোগাড় করা। কোয়েস ইনভেস্টর হিসেবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে ইস্টবেঙ্গলের আর্থিক সমস্যার সমাধান করে দেয়। সেখানে মোহনবাগান কর্তারা এখনও কোনও স্পনসর বা ইনভেস্টারের সঙ্গে চুড়ান্ত চুক্তি করে উঠতে পারেননি। শোনা যাচ্ছে, আইএসএলের পরিচালন সংস্থা চায় তিন নয়, দুটো দল খেলুক কলকাতা থেকে। ইস্টবেঙ্গল, আর এটিকের সঙ্গে মোহনবাগানকে মিলিয়ে দিয়ে দ্বিতীয় দল। এ নিয়ে নাকি চাপও তৈরি করা হচ্ছে। একে বিভিন্ন অসম্মানজনক শর্ত, তার ওপর নীতিগত ভাবে এটিকের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধায় আপত্তি রয়েছে বাগান কর্তাদের। তাঁরা মনে করেন, সিইএসসি বা অন্য কোনও বড় স্পনসর বা ইনভেস্টার, মোহনবাগান দল পরিচালন সমিতিতে সিংহভাগ স্বত্ব নিয়ে যোগ দিলে, তাদের সঙ্গে  দায়িত্ব ভাগাভাগিতে আপত্তি নেই, কিন্তু এটিকের কাছে নিজেদের বিকিয়ে দিতে নারাজ। এই জট ছাড়িয়ে বাগান যত তাড়াতাড়ি স্পনসর বা ইনভেস্টার খুঁজে নিতে পারবে, ততই মঙ্গল।‌‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top