কেকেআর : ১৬১‌–৮ (লিন ৮২)

সিএসকে : ১৬২–৫ (রায়না ৫৮)

সিএসকে ৫ উইকেটে জয়ী।

আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ আবারও হার কেকেআরের। ঘরের মাঠে পরপর দু’‌টি ম্যাচে হারলেন দীনেশ কার্তিক–আন্দ্রে রাসেলরা। রায়নার দুরন্ত ব্যাটিং এবং শেষদিকে জাদেজার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে পাঁচ উইকেটে পরাস্ত হল নাইটরা।
আগের ইডেনের পিচের সঙ্গে বর্তমান পিচের ফারাক অনেকটাই। আগে যেখানে দ্বিতীয় ইনিংসে বল পড়ে ব্যাটে আসত না, এখন সেখানে বল পড়ে দ্রুতগতিতে ব্যাটে আসছে। রবিবার ফের একবার সেটাই প্রমানিত হল।  এদিন টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। আগের ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের মতোই চেন্নাইও পরে ব্যাট করেই ঘরের মাঠে বধ করার ছক কষেছিল কেকেআরকে। আর সেটাই হল। আগের দিন যেমন শিখর ধাওয়ান নাইট বোলারদের উপর রাজত্ব করেছিলেন। এদিন তেমনি করলেন সুরেশ রায়না। চেন্নাইয়ের ব্যাটসম্যানদের বিরুদ্ধে চাওলা–নারিন–কুলদীপের স্পিন ত্রয়ী বলতে গেলে কোনও দাগই কাটতে পারল না। ১৬২ রান তাড়া করতে নেমে দু’‌বল বাকি থাকতেই জয় পেয়ে গেল চেন্নাই। দুরন্ত অর্ধশতরান করলেন রায়না। ৪২ বলে ৫৮ রান করেন তিনি। আর শেষদিকে ১৭ বলে ৩১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেললেন জাদেজা। কেকেআর বোলারদের মধ্যে সফল একমাত্র নারিন। তিনি চার ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ১৯ রান দিয়েছেন। বদলে নিয়েছেন একটি উইকেট। কিন্তু দলকে জয় এনে দেওয়ার জন্য সেটা যথেষ্ট ছিল না।
তবে এদিন শুরুটা কিন্তু ভালই করেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। দীর্ঘদিন পর নিজস্ব মেজাজে ব্যাটিং করেছেন ক্রিস লিন। মাত্র ৫১ বলে ৮২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। কিন্তু ডেথ ওভারের আগেই ইমরান তাহিরে বলে আউট হয়ে যান লিন। অন্যদিকে, শেষদিকে ঝড় তুলতে ব্যর্থ হন রাসেলও। ফলে ১৮০ রানও স্কোরবোর্ডে তুলতে পারেননি নাইটরা। নির্ধারিত ২০ ওভারে আট উইকেটে ১৬১ রানেই থেমে যায় তাঁদের ইনিংস। চার ওভারে ২৭ রান দিয়ে চার উইকেট পান ইমরান তাহির। পেসার শার্দুল ঠাকুর ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে দু’‌উইকেট পান। এদিন মাঠে উপস্থিত ছিলেন শাহরুখ খানও। ছিল রবিবাসরীয় ভরা ইডেন গার্ডেন্স। ধোনি–শাহরুখকে দেখতে মাঠমুখী হয়েছিলেন অনেকেই। কিন্তু তাঁদের দেখলেও ঘরের দলের জয়টাই মিস করে গেলেন নাইট সমর্থকরা।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top