IFA: আইএফএর অন্তর্দ্বন্দ্বে বাংলার ফুটবলের ক্ষতি হচ্ছে, দাবি প্রাক্তন সচিবের

আজকাল ওয়েবডেস্ক: দীর্ঘদিন আইএফএর সচিব পদের দায়িত্ব সামলেছেন।

হট সিটে বসে একের পর এক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। বিরোধিতাও কম পাননি। দায়িত্ব ছাড়ার পর আর মাঠমুখী হননি উৎপল গাঙ্গুলি। দীর্ঘদিন পর আবার ফুটবল মাঠে দেখা গেল বর্ষীয়ান ফুটবল কর্তাকে। জয়দীপ মুখার্জির আমন্ত্রণে পুজো ফুটবলের ফাইনালে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন আইএফএ সচিব। মাঠে না এলেও সব খবরাখবর রাখেন। আইএফএর অন্দরে কী চলছে সেই বিষয়েও অবগত তিনি। তবে একদা যে সংস্থা বছরের পর বছর সামলেছেন, তার বর্তমান হাল দেখে কিছুটা উদ্বিগ্ন উৎপল গাঙ্গুলি। সচরাচর বিতর্কিত বিষয় এড়িয়ে চলেন তিনি। কিন্তু এদিন কোনও রাখঢাক না করেই জানিয়ে দিলেন, আইএফএর অন্তর্দ্বন্দ্ব বাংলার ফুটবলের ক্ষতি করছে। উৎপল গাঙ্গুলি বলেন, 'দীর্ঘদিন পর মাঠে এলাম। চেনা পরিবেশ, চেনা মুখগুলো দেখে ভাল লাগছে। তবে আইএফএর অন্তর্দ্বন্দ্ব বাংলার ফুটবলের ক্ষতি করছে। এতে পিছিয়ে পড়ছে বাংলার ফুটবল। আশা করব সবাই নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সব মিটিয়ে নিয়ে বাংলার ফুটবলের স্বার্থে একজোট হবে।' 

তাঁর জমানায় মরশুমের প্রথম টুর্নামেন্ট ছিল কলকাতা লিগ। ঘরোয়া লিগকেই তখন কলকাতার তিন প্রধান আই লিগের প্রস্তুতি হিসেবে নিত। কিন্তু গত দুই বছর ধরে এই জায়গা নিয়ে নিয়েছে ডুরান্ড কাপ। আর্মির ঐতিহ্যশালী টুর্নামেন্ট দিয়ে শুরু হচ্ছে ফুটবল মরশুম। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কলকাতা লিগ। সঠিক সময় লিগ শুরু করা যাচ্ছে না। লিগের ম্যাচগুলো করার সুযোগ পাচ্ছে না আইএফএ। তারওপর মাঠগুলো চলে যাচ্ছে ডুরান্ডের দখলে। কীভাবে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব? উৎপল গাঙ্গুলি বলেন, 'ডুরান্ড কমিটির উচিত সূচি চূড়ান্ত করার আগে আইএফএর সঙ্গে আলোচনা করা। এটা ছাড়া এই সমস্যা এড়ানোর জায়গা নেই। কলকাতা লিগও এত বছরের টুর্নামেন্ট। সেটাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।' রবিবার থেকে কলকাতা লিগের সুপার সিক্স পর্ব শুরু। অথচ মোহনবাগানের খেলা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা অব্যাহত। অতীতেও ঘরোয়া লিগ খেলা নিয়ে প্রায়ই দুই প্রধানকে সমস্যা তৈরি করতে দেখা গিয়েছে। তবে এই প্রসঙ্গে এদিন কোনও মন্তব্য করতে চাননি আইএফএর প্রাক্তন সচিব। একটাই আশা, সবকিছু মিটিয়ে আবার বাংলার ফুটবল নিয়ামক সংস্থা একজোট হয়ে এগিয়ে যাবে। 

আকর্ষণীয় খবর