আজকাল ওয়েবডেস্ক: এবারের ইউরো কাপ কোনও একটা দেশে হচ্ছে না। মহাদেশের মোট ১১টা শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে চলবে খেলা। এর ফলে কেউ দর্শক সমর্থনের সুবিধা পাবে, কেউ পাবে না। দর্শক সমর্থনের সবথেকে সুবিধা পাবে ইংল্যান্ড। কারণ গ্রুপ স্টেজ, সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল হবে হ্যারি কেনদের দেশেই। এর আগে সেই ১৯৬৬ সালে দেশের মাঠে বিশ্বকাপ খেলেছিল থ্রি লায়ন্সরা। সেই একবারই জিতেছিল ট্রফি। কিন্তু এ যাবত কোনও বড় খেতাব থেকে বঞ্চিত তারা। এ নিয়ে প্রবল ঠাট্টা-বিদ্রূপ শুনতে হয় ইংল্যান্ডের সমর্থকদের। 
তবে হাওয়া ঘুরেছে ২০১৮-র বিশ্বকাপ থেকে। প্রত্যাশার চাপ ছিল না, কিন্তু সেমিফাইনাল অবধি চলে গেছিলেন হ্যারি কেনরা। এবার আরও বহু তরুণ তুর্কির আমদানি হয়েছে দলে। জেডন স্যাঞ্চো, ফিল ফোডেন, মেসন মাউন্ট, মার্কাস র্যা শফোর্ড, ডেক্ল্যান রাইসরা ক্লাব স্তরে ইতিমধ্যেই সফল, কিন্তু দেশের হয়ে এখনও পরীক্ষা দেননি। ফুটবল বিশেষজ্ঞেরা কিন্তু স্যাঞ্চো-ফোডেন-মাউন্টদের ভবিষ্যতের তারকার তকমা দিয়ে ফেলেছেন। একই সঙ্গে ফের বাড়ছে প্রত্যাশার চাপ। ফের ইংল্যান্ডের অলিতে গলিতে শোনা যাচ্ছে সেই সুর— ফুটবল ইজ কামিং হোম। 
অতীতে তারকা সমৃদ্ধ ইংল্যান্ড দল বারবার বিশ্ব কিংবা ইউরোপের মঞ্চে মুখ থুবড়ে পড়েছে। গ্যারি লিনেকার থেকে ডেভিড বেকহ্যাম হয়ে ওয়েন রুনি, কেউই দেশকে ট্রফি দিতে পারেননি। এবার ইংল্যান্ড দলে তারকা বলতে সেই হ্যারি কেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছে একঝাঁক নবীন প্রতিভা। অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এক দু’জনও আছেন। তবে দলের গড় বয়স ২৫-এর বেশি না। ফলে দু’ রকম সম্ভাবনা রয়েছে। এক, প্রত্যাশার চাপে তুমুল ব্যর্থতা, অথবা তারুণ্যের জোরে অভাবনীয় সাফল্য। কী হবে তা চার সপ্তাহ পরেই জানা যাবে।       
 

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top