আজকালের প্রতিবেদন: শিখর ধাওয়ান কি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকেই গেলেন?‌ নাকি আশা আছে এখনও?‌ এই দুই প্রশ্ন নিয়ে মঙ্গলবার দুপুর থেকে ভারতবাসী যখন চর্চা চালাল, তখন ধাওয়ান যদি একান্তই খেলতে না পারেন, তার জায়গায় কাকে নেওয়া উচিত জানালেন সুনীল গাভাসকার, কেভিন পিটারসেন এবং গৌতম গম্ভীর। 
ঋষভ পন্থের হয়ে সওয়াল করেছেন গাভাসকার এবং পিটারসেন। রায়ডুকে চেয়েছেন গম্ভীর। তিনজনেই নিজেদের যুক্তি পেশ করেছেন। গাভাসকারের মতে, ‘‌ঋষভ ছাড়া আর কারও কথা ভাবা উচিত নয়। আইপিএলে ও দারুণ ছন্দে ছিল। প্রথম একাদশে থাকার যোগ্য, সেটা ও দেখিয়ে দিতে চাইবে। তবে ডাক্তার যদি বলেন আগামী ১৮ দিনের মধ্যে শিখর সুস্থ হয়ে যাবে, তা হলে ওর ওপরই ভরসা রাখা উচিত। যদি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ও (‌‌৩০ জুন)‌‌ শিখর খেলতে না পারে, তা হলেও বলব, ওর জন্য অপেক্ষা করা যায়।’‌ 
পরিবর্ত হিসেবে ঋষভের নাম যতই করুন, ভারতীয় ক্রিকেটের গব্বরের ওপরে যে অগাধ আস্থা, সে কথা অবশ্য জানাতে ভোলেননি গাভাসকার। বলেছেন, ‘‌শিখর দেখিয়েছে ওর যন্ত্রণা সহ্য করার ক্ষমতা অসম্ভব। একটা কথা বলতে চাই, দেশের জন্য যত বেশি যন্ত্রণা সহ্য করবে, ততই মানসিকভাবে দৃঢ় হবে। নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণও বাড়বে।’‌ 
ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ব্যাটসম্যান কেভিন পিটারসেনও একমত, পরিবর্ত হিসেবে ঋষভকে নেওয়া উচিত ভারতের। তাঁর মতে, ‘‌শিখর ছিটকে গেলে, ঋষভকে পরিবর্ত হিসেবে ডেকে নিক ভারত। সেক্ষেত্রে লোকেশ রাহুল ওপেন করবে। ঋষভ পন্থ নামবে চারে।’‌ 
তবে ঋষভে আস্থা নেই গৌতম গম্ভীরের। তিনি অম্বাতি রায়ডুর হয়ে সওয়াল করেছেন। বলেছেন, ‘‌শিখরের পরিবর্ত হিসেবেও যদি রায়ডুকে দলে নেওয়া না হয়, তা হলে বলতে হবে ওর কেরিয়ার শেষ। একদিনের ক্রিকেটে ওর গড় ৪৫। এমন গড় থাকা সত্ত্বেও বিশ্বকাপ দলে জায়গা না পাওয়া দুর্ভাগ্যের। এর পরও রায়ডু উপেক্ষিত হলে, ওর শুধু আইপিএলে মন দেওয়া উচিত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর কোনও আশা নেই ধরে নিতে হবে।’‌ 
তবে এই তিনজনের থেকে একেবারে ভিন্ন মেরুতে হরভজন সিং। তিনি অজিঙ্ক রাহানের নাম তুলে ধরেছেন। বলেছেন, ‘‌বিশ্বকাপের সব ম্যাচেই শিখরকে দেখতে চেয়েছিলাম। তবে ও যদি একান্তই সুস্থ না হয়, তা হলে রাহানের কথা ভাবা যায়। মিডল অর্ডারে ভরসা করার মতো প্লেয়ার। তিন বা চারে ব্যাট করতে পারে।’‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top