‌আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ গোল না পেলেও বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে দুরন্ত ফুটবল খেলেছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে। বেলজিয়াম বধ করে ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে ১৯ বছর বয়সী এই ফুটবলারের দল। তারই মধ্যে বোমা ফাটালেন এমবাপের মা। তাঁর অভিযোগ, প্যারিস সঁ জরমেঁ এমবাপের সতীর্থ নেইমার দ্য সিলভা স্যান্টোস জুনিয়র নাকি নিয়মিত পিছনে লাগেন। তাঁকে বিদ্রুপ করেন ও কটূক্তি করেন। আর এই কাজে নাকি নেইমারের সঙ্গী দানি আলভেজ। আর এই ঘটনায় খুবই বিরক্ত এমবাপের মা ফায়জা লামারি। এমনকী, নেইমারে ও ফায়জার মধ্যে এই বিষয়ে একবার তুমুল কথা কাটাকাটিও হয়ে গিয়েছে। নেইমারকে তাঁর ছেলের কাছ থেকে দূরে থাকার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ফায়জা। তিনি বলছেন, ‘হতে পারেন ‌নেইমার এবং দানি আলভেজরা অনেক বড় ফুটবলার। কিন্তু আমার ছেলের এখন নিজেকে তৈরি করার বয়স। ও আরও বড় হতে চায়। ফুটবলের বাইরে ওর কোনও জীবন নেই। কোনও উশৃঙ্খলতার মধ্যে ও গা ভাসায় না। বান্ধবীদের সঙ্গে সময় কাটাতে চায় না। এদিকে নেইমাররা খুবই উশৃঙ্খল জীবন যাপন করেন। এমবাপেকেও ওঁরা ওঁদের সঙ্গে ফুর্তি করার জন্য ডেকেছিলেন। কিন্তু আমার ছেলে তাতে রাজি না হওয়ায় পরিকল্পনা করে ওকে নিয়মিত বিদ্রুপ করা হয়। শুধু তাই নয়, পোশাক বা অন্য বিষয়ে আমার ছেলে কখনও বিলাসিতা করে না। আমার ছেলে একজন সাধারণ মানুষের মতো থাকতেই ভালবাসে। সেটা নিয়েও ওকে কটূ কথা বলা হয়।’‌
আগেই জানা গিয়েছিল প্যারিস সঁ জরমঁ ড্রেসিং রুমে এমবাপেকে মজা করে ‘‌ডোনাতেলো’‌ বলে ডাকা হয়। এটি একটি কার্টুন চরিত্র, যে কি না খুবই সরল প্রকৃতির এবং চালাকিতে বন্ধুদের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারে না। ফায়জার অভিযোগ, এই নামকরণের পিছনে রয়েছে নেইমারেরই হাত!‌ তার ব্যাগের মধ্যে নাকি একবার ডোনাতেলোর একটি মুখোশ ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন নেইমার। এই রসিকতা একেবারেই পছন্দ করেননি এমবাপে। তবে কোনও প্রকাশ্য বিবাদে জড়াননি। আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে ইনস্টাগ্রামে লিখেছিলেন, ‘‌মেনে নাও ডোনাতেলো যথেষ্ট ভাল খেলেছে।’‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top