‌আজকালের প্রতিবেদন: ইন্ডিয়ান অ্যারোজ ও ট্রাউ ম্যাচ জিতে স্বস্তি ফিরেছিল ইস্টবেঙ্গল শিবিরে। অবনমন আতঙ্ক কিছুটা হলেও কেটেছে পরপর দু ম্যাচের জয়ে। কিন্তু তখনই লাল–‌হলুদ শিবিরে চার্চিল ম্যাচের আগে মাথাচাড়া দিল নতুন এক বিতর্ক। সেটা ঘিরে তৈরি হল অশান্তির আগুন। ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরার সঙ্গে ফুটবলার আনসুমানা ক্রোমার ঘোরতর মনোমালিন্য সামনে এসে পড়ায়। 
ক্রোমা নাকি অভিযোগ করেছেন, কোচ মারিও তাঁর ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করছেন নানাভাবে ইস্টবেঙ্গল কোচের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই। তাঁকে ঠিকমতো খেলার সুযোগ দিচ্ছেন না প্রথম থেকেই। তাছাড়া মাঠে নামালেও স্বাধীনভাবে খেলতে দিচ্ছেন না। তিনি ভারতীয় ফুটবলে নতুন নন। এর আগে মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, আইজল, চার্চিলের হয়ে খেলেছেন। চলতি মরশুমে কলকাতা ফুটবল লিগ জয়ী পিয়ারলেস দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ডাকেই আবার লাল–‌হলুদ জার্সি চাপিয়েছেন। অথচ কোচ মারিও বারবার তাঁকে নানাভাবে অপমান করছেন। হুমকিও দিচ্ছেন, তাঁর কথা না শুনলে দল থেকে বাদ দেওয়া হবে। এইভাবে চাপ তৈরি করা দুর্ভাগ্যজনক। কোচ যদি একজন ফুটবলারকে সম্মান দিতে না পারেন, তাহলে তিনি কী করে আশা করেন ফুটবলারটি তাঁকেও সম্মান দেবে। উনি তো মাঠে নেমে সেরা দেওয়ার মানসিকতাটাই কেড়ে নিচ্ছেন। জানা গেছে, ক্রোমা এর বিহিত চাইবেন ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের কাছে। নাকি বলেছেন, নীতুদার (দেবব্রত সরকার)‌ কাছে জানতে চাইবেন কোচ মারিওর এমন আচরণ কেন?‌ তাছাড়া শুনছেন জনি অ্যাকস্টা এলে তাঁকে নাকি ছেঁটে ফেলা হবে। এটা কতটা ঠিক?‌ যদি ছেঁটে ফেলাই হয়, তাহলে তাঁকে সই করানো হল কেন?‌ 
বুধবার সকালে সল্টলেক স্টেডিয়ামের ট্রেনিং পিচে অনুশীলন শেষে এ নিয়ে প্রশ্ন করলে ক্রোমা তা এড়িয়ে যান। শুধু বলেন, যা বলার তা ক্লাব কর্তাদেরই বলবেন। কোচ মারিও প্রচারমাধ্যমের মুখোমুখি হননি। পরে রাতে ক্লাব তাঁবুতে দেবব্রত সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসেন ক্রোমা। 

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top