আজকালের প্রতিবেদন- অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জিতে ভারতের ‘‌দিল’‌ জিতে নিয়েছেন পৃথ্বী, শুভমন, ঈশানরা। ভবিষ্যতের তারকাদের পেয়ে গেছে ভারতীয় ক্রিকেট, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। ক্রিকেটারদের প্রশংসা তো হচ্ছেই, আবার সেই প্রশংসার চাদরে জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে কোচ রাহুল দ্রাবিড়কেও। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জেতার পেছনে তাঁর কৃতিত্বও কোনও অংশে কম নয়, একবাক্যে স্বীকার করে নিচ্ছেন সবাই। একটি টেলিভিশন চ্যালেনকে বীরেন্দ্র শেহবাগ বলেছেন, ‘‌১৬–১৭ বছরের কেরিয়ারে রাহুল দ্রাবিড় কখনও বিশ্বকাপ ট্রফি ছুঁতে পারেনি। কিন্তু কোচ হিসেবে সেই স্বপ্ন সফল হয়েছে ওর।’‌ এখানেই না থেমে বীরুর সংযোজন, ‘‌এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা কোচ দ্রাবিড়। প্লেয়ার হিসেবে ওর রেকর্ডই ওর হয়ে কথা বলে। বিগ ম্যাচের প্রস্তুতি কীভাবে নিতে হয়, বিগ ফাইনালের চাপ কীভাবে সামলাতে হয়, জানে দ্রাবিড়।’‌ 
অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ফাইনালের নায়ক বীরুর নিজের রাজ্য দিল্লিরই মনজ্যোত কালরা। সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিল সে। কালরার ব্যাপক প্রশংসা করেছেন শেহবাগ। বলেছেন, ‘ফাইনালে ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলার জন্য মনজ্যোত কালরাকে অভিনন্দন জানাই। বিগ ম্যাচ প্লেয়ার হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছে ও। বড় মঞ্চে নিজের জাত চিনিয়েছে। ফাইনালে বড় রানের জন্য আমরা সবাই তাকিয়ে ছিলাম পৃথ্বী শ, শুভমন গিল বা হার্ভিক দেশাইয়ের দিকে। কিন্তু এক্ষেত্রে সবাইকে ছাপিয়ে গেল মনজ্যোতই। এই ধরনের মঞ্চে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য দরকার হয় নিজের ইনিংসকে বড় সেঞ্চুরিতে পরিণত করা। ফাইনালে ঠিক সেই কাজটাই করেছে মনজ্যোত।’‌
ভারতের দুই জোরে বোলার কমলেশ নাগারকোটি এবং শিবম মাভির বোলিং দেখেও মুগ্ধ বীরু। ‘‌টুর্নামেন্টে নাগারকোটি ও মাভি দু’‌জনেই আমাকে বেশি ইমপ্রেসড করেছে ওদের অবিশ্বাস্য স্পিড দিয়ে। ১৪০ কিমি গতিতে ধারাবাহিকভাবে বল করেছে। এর থেকেই বোঝা যায়, ওদের ট্যালেন্ট কতটা। আইপিএল নিলামেও আমার র‌্যাডারে ছিল ওরা। কিন্তু ওদের মূল্য আমাদের বাজেট পেরিয়ে গিয়েছিল। ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য বিশ্বমানের প্লেয়ার তৈরিতে আইপিএলের অবদান আছে। কালকের জাহির খান ও আশিস নেহরা হয়ে ওঠার ক্যালিভার আছে নাগারকোটি ও মাভির’‌, মন্তব্য শেহবাগের।‌‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top