আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মিডল অর্ডারে বারবার পরীক্ষার ফলেই কী নিউজিল্যান্ডের কাছে একদিনের সিরিজে ভরাডুবি হল টিম ইন্ডিয়ার?‌ প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। গত দেড় থেকে দু’‌বছরে একাধিক ক্রিকেটারকে মিডল অর্ডারে দেখা হয়েছে। বিশ্বকাপের এক বছর আগে থেকে চার নম্বরে অম্বাতি রায়ডুকে দেখা হচ্ছিল। কিন্তু তিনি বিশ্বকাপের দলেই সুযোগ পাননি। কেদার যাদব, মণীশ পান্ডে থেকে শুরু করে এখন শ্রেয়স আইয়ারে আস্থা রাখছে বিরাট বাহিনী। তিনি কিন্তু একদিনের সিরিজে যথেষ্ট সফল। শ্রেয়স ও লোকেশ রাহুল ছাড়া একদিনের সিরিজে কম–বেশি সব ক্রিকেটারই ব্যর্থ। অধিনায়ক বিরাট তিন ম্যাচে করেছেন মাত্র ৭৫। টপ অর্ডারে ডাহা ফেল মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও পৃথ্বী শ। লোকেশ রাহুল করেছেন তিন ম্যাচের সিরিজে ২০৪ রান। যার মধ্যে একটি শতরান ও একটি অর্ধশতরান রয়েছে। শ্রেয়স আইয়ার তিন ম্যাচের সিরিজে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন। ২১৭ এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। একটি শতরান ছাড়াও রয়েছে দুটি অর্ধশতরান।
তবুও ভারতকে হোয়াইটওয়াশ হতে হল। পরিসংখ্যান বলছে, সদ্য সমাপ্ত একদিনের সিরিজে রাহুল–শ্রেয়স করেছেন ৪২১ রান। সেখানে বাকি দলের অবদান ৪২৩ রান। ধাওয়ান ও রোহিত চোটের জন্য ছিলেন না। এই দু’‌জন ছাড়া বাকিরা ব্যাট হাতে সফল নন। 
আরও একটি তথ্য বেশ ভয়ঙ্কর। ২০১৬ সালের এপ্রিল থেকে একদিনের ক্রিকেটে চার নম্বরে ১৩ জন ক্রিকেটারকে পরীক্ষা করা হয়েছে। যারা ৯১ ইনিংস খেলেছেন। সেখানে ১৩ ক্রিকেটারের ব্যাটিং গড় মাত্র ৩৫.‌১৪। তিনটি শতরান ও ১৩টি অর্ধশতরান রয়েছে মাত্র। সেখানে শ্রেয়সের রেকর্ড বেশ ভাল। এখনও অবধি চার নম্বরে আটটি ইনিংস খেলার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। গড় ৫৬.‌৮৫। একটা শতরান ও চারটি অর্ধশতরান রয়েছে। 
বিরাট বলছেন বোলিং ও ফিল্ডিংই সিরিজ হারের কারণ। কিন্তু লোকেশ ও শ্রেয়স ছাড়া বাকি ব্যাটসম্যানদের হতশ্রী অবস্থার কথা একবারও বললেন না ভারত অধিনায়ক। যারা বারবার সুযোগ পেয়েও ব্যর্থ হচ্ছেন। 

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top