মুনাল চট্টোপাধ্যায়
স্টেডিয়াম এবং স্পোর্টস কমপ্লেক্স খোলার অনুমতি দিয়েছে কেনদ্রীয় সরকার। এর ফলে আবার খেলাধুলো শুরু হবে, সেই আশায় দিন গুনছেন আই এম বিজয়ন, বাইচুং ভুটিয়া। দুজনেই মনে করেন, পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ধীরে ধীরে খেলাধুলো শুরু করলে মানুষের মানসিক চাপ কমবে। সেটা দর্শকশূন্য মাঠে হলেও ক্ষতি নেই। 
বাইচুংয়ের বক্তব্য, ‘‌বিধিনিষেধ মেনে বুন্দেশলিগা শুরু হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকও একই পদক্ষেপ নিলে খেলোয়াড়রা দিনের পর দিন বসে কাটানো ও মানসিক অবসাদ থেকে মুক্তি পাবে।’‌ বিজয়ন আরেক কদম এগিয়ে গোকুলাম এফসি–‌র ডাকে সাড়া দিয়ে ফেডারেশনের প্রস্তাবিত ফুটসালে খেলতে রাজি হয়েছেন। বিজয়ন বললেন, ‘‌ফুটসাল হলে অবশ্যই খেলব। আমি নিয়মিত কেরল পুলিশের হয়ে আর এখানে সেভেন আ সাইড ম্যাচে খেলি। চাই, বাইচুং ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলুক। শিলংয়ে ফুটসাল হলে রেনেডি সিংও নর্থ ইস্টের কোনও টিমের হয়ে খেললে ভাল হবে। এখন এরকম টুর্নামেন্টের দরকার আছে।’‌
আগস্টের শেষ বা সেপ্টেম্বরের শুরুতে ফুটসাল হওয়ার কথা। লাল–‌হলুদ জার্সিতেই খেলার ইচ্ছা আছে বাইচুংয়ের। ইস্টবেঙ্গলে খেলে অবসর নেওয়ার ইচ্ছে তাঁর অনেকদিনের। শতবার্ষিকী লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে ইস্টবেঙ্গল কর্তারাও বলেছিলেন, তাঁরাও এটাই চান। সেই সুযোগ থাকছে ফুটসালে। তবে ফিটনেস নিয়ে সংশয়ে তিনি। জানালেন, ‘‌ইচ্ছা আছে খেলার। কিন্তু শরীর নিলে হয়। তাছাড়া ইস্টবেঙ্গলের ভাবনায় এখন আছি কিনা দেখতে হবে।‌’‌ 
এই নিয়ে ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকারের প্রতিক্রিয়া, ‘‌ফুটবলরাইটস আগে পাই। তারপর কার্যকরী কমিটিতে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’‌ মে মাস পর্যন্ত ফুটবলরাইটস রয়েছে কোয়েসের হাতে। তারা সরে যাওয়ার পর জটিলতা কাটিয়ে সেটা ইস্টবেঙ্গলের হাতে আসতে সময় লাগবে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top