সংবাদ সংস্থা, দিল্লি: অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে ঝামেলায় জড়িয়ে নির্বাসিত পাঁচ ক্রিকেটারের মধ্যে আছেন রবি বিশনোই। ছেলের আচরণে স্তম্ভিত বাবা মঙ্গীলাল বিশনোই। জানালেন, রবির মা খাওয়া–দাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। 
লেগস্পিনার রবি ফাইনালে দারুণ বল করলেও, ম্যাচের পর বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গে তর্কাতর্কি, হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। এক ওয়েবসাইটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মঙ্গীলাল বলেছেন, ‘‌ছেলের যে কী হল কিছুই বুঝতে পারছি না!‌ আমার চার সন্তানের মধ্যে রবিই সবচেয়ে শান্ত। ধীরস্থির।’‌  এরপর অবশ্য ছেলের হয়ে কিছুটা সাফাই গেয়েছেন মঙ্গীলাল। বলেছেন, ‘‌কোন পরিস্থিতিতে মাথা গরম করে ফেলেছিল, ছেলে পরে বলেছে। আসলে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের হাত থেকে সতীর্থদের বাঁচাতে গিয়েই ও সেদিন ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছিল।’‌ উল্লেখ্য, রবিবার ফাইনালের পর ভারত অধিনায়ক প্রিয়ম গর্গও সব দায় বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ঘাড়ে চাপিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ‘‌‌হার–জিত খেলার অঙ্গ। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের আচরণ নোংরা, জঘন্য। যা ঘটেছে সেটা না হলেই ভাল হত।’‌  তবে মঙ্গীলাল বিশনোই যা–ই বলুন অশালীন শব্দপ্রয়োগ, খারাপ আচরণ এবং অঙ্গভঙ্গির জন্য রবিকে শাস্তি দিয়েছে ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা। রবি আচরণবিধির ২.‌‌২১ এবং ২.‌৫ ধারা ভেঙেছেন। ২.‌৫ ধারা ভাঙার অর্থ আউট হওয়া ব্যাটসম্যানের উদ্দেশ্যে অসম্মানজনক ভাষা, কাজ বা অঙ্গভঙ্গি করা। এই অপরাধ শাস্তিযোগ্য।  ছেলের জন্য স্বাভাবিকভাবেই মন খারাপ মায়েরও। রবি কড়া শাস্তি পাওয়ায় ভেঙে পড়েছেন তিনি। এতটাই ভেঙে পড়েছেন যে খাওয়া–দাওয়া ছেড়েছেন। মঙ্গীলাল বিশনোই বলেছেন, ‘গতকাল থেকে আমার স্ত্রী খাবার মুখে তোলেননি। খুবই কষ্ট পাচ্ছেন।’‌ ছেলেকে নিয়ে এতদিন গর্বের শেষ ছিল না পরিবারে। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে রবির আচরণ ও শাস্তি সেই গর্বে আঘাত করেছে। সত্যিটা হজম করতে কষ্ট হচ্ছে সবার। কিন্তু রবির দেওয়া ব্যাখ্যায় আস্থা অটুট। ‌‌

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top