আজকালের প্রতিবেদন: মুস্তাক আলি টি–২০ প্রতিযোগিতায় খেলতে যাওয়ার আগে মনোজ তিওয়ারির বাংলা দল অনুশীলনে সবচেয়ে বেশি জোর দিল ফিল্ডিংয়ে। ঘটনা, রনজি ট্রফিতে বাংলা দলের ফিল্ডিং বড়ই দুর্বল মানের ছিল। বাংলার ক্রিকেটারেরা প্রচুর ক্যাচ মিস করেছেন। তার জেরেই রবিবার সকালে সল্টলেকের যাদবপুর ক্যাম্পাসে বাংলার অনুশীলনে দেখা গেল সবচেয়ে বেশি জোর ফিল্ডিং অনুশীলনেই।
বাংলার অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি রাখঢাক না করেই জানিয়েছেন,‘আমরা ফিল্ডিং নিয়ে বাড়তি ফোকাস করতে চাই। রনজি ট্রফির বেশ কিছু ম্যাচে আমাদের বাজে ফিল্ডিংয়ের কারণে তফাত ঘটে যায়। আর টি–২০ ফরম্যাটে ফিল্ডিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেজন্য আলাদা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ফিল্ডিংয়ে।’ রবিবার বাংলার অনুশীলনে দেখা গেছে ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিবেশ তৈরি করে ম্যাচ–অনুশীলন। বাংলার প্রত্যেক ব্যাটসম্যানের জন্য একটা নির্দিষ্ট টার্গেট বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। সেইমতো ব্যাটিং করতে হয়।
এদিন বাংলার অনুশীলনে আরও একটি বিষয়ের ওপর জোর দিতে দেখা গেছে। বাংলার কোচ অরুণলাল দলের দায়িত্ব হাতে নেওয়ার পরই জোরে বোলারদের ইয়র্কারে আরও পারদর্শী করে তুলতে মরিয়া। নেটে বাংলার জোরে বোলারদের প্রচুর ইয়র্কার ডেলিভারি অনুশীলন করতে দেখা গেছে। অধিনায়ক মনোজের মতে,‘বোলারদের ইয়র্কারে জোর দেওয়া উচিত। বিশেষ করে টি–২০–র মতো ফরম্যাটে। কারণ, এটা একটা অন্যতম অস্ত্র ব্যাটসম্যানদের আউট করা অথবা রান আটকানোর ক্ষেত্রে। তাই ইয়র্কার অনুশীলনে বাড়তি নজর।’
যদি ফিট হয়ে বাংলার উইকেটকিপার–ব্যাটসম্যান ঋদ্ধিমান সাহা মুস্তাক আলি টি–২০ প্রতিযোগিতায় খেলেন, তা হলে তাঁকে কি ওপেনিংয়ে দেখা যেতে পারে? কারণ, আইপিএলে ফ্র্যাঞ্জাইজির হয়ে ওপেনিং করতে দেখা যায় ঋদ্ধিমানকে। এ ব্যাপারে অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি জানান, ‘আইপিএলে ওপেন আর বাংলার হয়ে ওপেন করা বিষয়টি এক নয়। দেখা যাক, ঋদ্ধি আগে ফিট হয়ে মাঠে নামুক, তারপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ শনিবার বাংলার অনুশীলনে ইয়ো–ইয়ো টেস্টে সফল হননি বাংলার দুই বোলার প্রদীপ্ত প্রামাণিক এবং ঈশান পোড়েল। কী বলছেন মনোজ? তিনি জানান, ‘ইয়ো–ইয়ো টেস্টে সফল হয়নি বলেই যে মাঠে নেমে সফল হবে না সেটা নয়। দু’জনেই চোট সারিয়ে দলে ফিরেছে। খানিকটা সময় তো দিতেই হবে।’ প্রসঙ্গত, সোমবার থেকে ইডেনে বাংলার অনুশীলনে থাকবেন ব্যাটিং পরামর্শদাতা ভিভিএস লক্ষ্মণ। রবিবার বাংলার নেটে বেশ কিছুক্ষণ বোলিং করতে দেখা যায় মহম্মদ সামির ভাই মহম্মদ কাইফকে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top