আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মহিলা ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে বৈষম্য থেকেই গেল। বিরাট কোহলি বোর্ড থেকে বছরে পাবেন ৭ কোটি। আর মহিলা দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ পাবেন মাত্র ৫০ লক্ষ। যা বিরাট, রোহিতদের আয়ের মাত্র ৭ শতাংশ। বিসিসিআই যে মহিলা ক্রিকেটকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তা আবার প্রমাণ হয়ে গেল। 
আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ঠিক একদিন আগে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড নতুন গ্রেডেশন তালিকা প্রকাশ করেছে। যা কার্যকর থাকবে ২০১৭–র অক্টোবর থেকে ২০১৮–র সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। বিরাট, রোহিত, ধাওয়ান, ভুবি, বুমরা আছেন এ প্লাস গ্রেডে। তারা বছরে পাবেন ৭ কোটি। অন্যদিকে মিতালি রাজ, ঝুলন গোস্বামী, হরমনপ্রীত কওর, স্মৃতি মান্ধানারাও বোর্ডের নতুন তালিকায় এ গ্রেডে আছেন। তারা বছরে পাবেন মাত্র ৫০ লক্ষ। আবার ধোনি, অশ্বিন, রবীন্দ্র জাদেজা, মুরলি বিজয়, পূজারা, রাহানে, ঋদ্ধিমান আছেন এ গ্রেডে। তারা বছরে পাবেন ৫ কোটি। মহিলা ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে পুনম যাদব, বেদা কৃষ্ণমূর্তি, রাজেশ্বরী গায়কোয়াড়, একতা বিস্ত, শিখা পাণ্ডে, দীপ্তি শর্মারা আছেন বি গ্রেডে। তারা বছরে পাবেন ৩০ লক্ষ। লোকেশ রাহুল, উমেশ যাদব, কুলদীপ যাদব, যজুবেন্দ্র চাহাল, হার্দিক পাণ্ডিয়া, ইশান্ত শর্মা, দীনেশ কার্তিকরা আছেন বি গ্রেডে। যারা বছরে পাবেন ৩ কোটি। সি গ্রেডে আছেন কেদার যাদব, মণীশ পাণ্ডে, অক্ষর প্যাটেল, করুণ নায়ার, সুরেশ রায়না, পার্থিব প্যাটেল, জয়ন্ত যাদব। তারা বছরে পাবেন ১ কোটি। আর মহিলা ক্রিকেটে?‌ সি গ্রেডে থাকা ভারতের মহিলা দলের ক্রিকেটাররা বছরে বোর্ড থেকে পাবেন মাত্র ১০ লক্ষ। 
২০১৭–য় মহিলা বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল ভারত। সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে ওয়ানডে ও টি২০ সিরিজ জিতে এসেছেন মিতালি রাজরা। তারপরেও বোর্ডের কাছে গুরুত্ব পেলেন না মহিলা ক্রিকেটাররা!‌ দেশের মহিলা ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক ডায়ানা এডুলজি কয়েকবছর আগে বলেছিলেন, ‘‌বিসিসিআই মহিলা ক্রিকেটকে কোনও গুরুত্বই দেয় না। রাখতে হয়। তাই রাখা। এই বৈষম্য ঠিক নয়। যা একপ্রকার অপমান।’‌ 

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top