আজকালের প্রতিবেদন- অল্পের জন্য বড় রকমের দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেলেন অশোক দিন্দা। সোমবার সকালে বাংলার অনুশীলনে মাথায় চোট পান দলের পেস বোলিংয়ের বড় ভরসা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সিটি স্ক্যান–‌সহ অন্যান্য পরীক্ষা–নিরীক্ষার পর সমস্যা না থাকায় চিকিৎসকরা তাঁকে ছেড়ে দিলেও, দু’‌দিন বিশ্রামে থাকার পারমর্শ দিয়েছেন। 
এদিন, সকালে ভিভিএস লক্ষ্মণের তত্ত্বাবধানে তখন অনুশীলন চলছে পুরোদমে। আসন্ন মুস্তাক আলি টি২০–র জন্য ক্রিকেটারদের দুটো দলে ভাগ করিয়ে ম্যাচ সিচুয়েশন প্র‌্যাকটিস করাচ্ছিলেন। বল করছিলেন দিন্দা। ব্যাটসম্যান বিবেক সিং। একটা লো ফুলটস বল বিবেক সপাটে স্ট্রেট ড্রাইভ করলে, তা দিন্দার মুখের সামনে চলে আসে। এত দ্রুততায় বল এসেছিল যে, হাত দিয়েও দিন্দা সামলাতে পারেননি। বল হাতে লেগে সরাসরি তাঁর কপালে লাগে। সঙ্গে সঙ্গে পিচেই শুয়ে পড়েন তিনি। ছুটে আসেন সতীর্থরা। কিছুক্ষণ মাঠেই চলে শুশ্রূষা। এর পর উঠে ওভারের বাকি দুটি বলও করেন দিন্দা। তারপর দলের ফিজিওকে সঙ্গে করে তাঁকে বাইপাসের ধারে এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কোনও সমস্যা না থাকায় চিকিৎসকরা পরীক্ষা করেই দিন্দাকে ছেড়ে দেন। সেখান থেকে ইডেনে ফিরে নিজেই গাড়ি চালিয়ে বাড়ি ফেরেন এই পেসার।
এই ঘটনায় বাংলা শিবির যে কিছুটা চাপে পড়ে গিয়েছিল, তা স্বীকার করে নিয়েছেন কোচ অরুণলাল। বলেন, ‘‌যেহেতু বল দিন্দার মাথায় লেগেছিল, তাই আমরা একটু চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। তবে চোট গুরুতর নয়, সেটাই স্বস্তির।’‌ লক্ষ্মণের তত্ত্বাবধানে প্রথম দিনের অনুশীলনে খুশি লালজি। তাঁর কথায়, ‘‌ম্যাচ সিচুয়েশন অনুযায়ী প্র‌্যাকটিসে ব্যাটসম্যান, বোলারদের পাশাপাশি ক্যাপ্টেনও দলের শক্তি–দুর্বলতাগুলো ভাল করে বুঝে নিতে পারছে।’‌ ঋদ্ধিমান সাহা এখনও দলের সঙ্গে যোগ না দিলেও, চিন্তার কিছু দেখছেন না কোচ। বলেন, ‘‌ঋদ্ধি ওয়ার্ল্ড ক্লাস ক্রিকেটার। তাছাড়া ও তো এক মাস ধরে এনসিএ–তে ট্রেনিংয়ের পাশাপাশি ব্যাটিং, কিপিং করছে। সুতরাং সমস্যার কিছু নেই।’ ১৫ তারিখ কলকাতা ফিরে পরের দিন দলের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেবেন ঋদ্ধি। আর মুস্তাক আলির জন্য ১৯ তারিখ কটক রওনা দেবে বঙ্গ ব্রিগেড।

মাথায় চোট পেয়ে মাটিতে দিন্দা। পাশে উদ্বিগ্ন মনোজ। ছবি— রনি রায় 

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top