আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বর্তমানে সারা বিশ্বের মোট ২৮টি দেশ করোনাভাইরাস বা কনভিড–১৯–এ আক্রান্ত। তবে ভারতের মূল ভূখণ্ডে কেরলের তিন বাসিন্দা ছাড়া আর কারও শরীরে মেলেনি এই ভাইরাস। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনে এই ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‌ভারতে কনভিড–১৯–এর সংক্রমণ রুখতে যাবতীয় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র। যাতে সবাই বুঝতে পারেন, সেজন্য কেন্দ্রের জারি করা বিজ্ঞপ্তি আঞ্চলিক ভাষায় পাঠানো হয়েছে রাজ্যগুলিতে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও করোনাভাইরাস সংক্রান্ত তথ্য প্রচার করছে কেন্দ্র। ‘‌পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। আমি নিজেও তদারক করছি,’‌ বললেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
হর্ষ বর্ধন জানালেন, ‘কেরলের তিন রোগীর অবস্থা এখন স্থিতিশীল। কড়া নজরদারি চলছে সীমান্তগুলি এবং ২১টা বিমানবন্দরের যাত্রীদের উপর। এপর্যন্ত মোট ২৫১৪৪৭ জন যাত্রীর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে। দেশের ১২টা বড় এবং ৬৫টা ছোট বিমানবন্দরেও চলছে নজরদারি।

কারও শরীরে এই ভাইরাস মেলেনি। ইউহান থেকে ফেরত আসা ৬৪৫ জনও সম্পূর্ণ সুস্থ।’ চীনাদের ই–ভিসা আগেই বাতিল করা হয়েছে। চীন থেকে কারও ভারতে আসায় সাময়িক নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছে। তাছাড়া থাইল্যান্ড, জাপান,ভিয়েৎনাম, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলি থেকেও কারও ভারতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।   
হর্ষ বর্ধন আরও জানিয়েছেন, জাপানের ইয়োকোহামা উপকূলের কাছে পৃথক করে রাখা জাহাজ ডায়মন্ড প্রিন্সেসের নাবিকদের দেহে কনভিড–১৯ মিলেছে। জাহাজে ২৬৬৬ জন যাত্রী এবং ১০৪৫ জন নাবিক মিলিয়ে মোট ৩৭১১ জন আছেন। তাঁদের মধ্যে ১৩২ জন ভারতীয়। নাবিক এবং যাত্রী মিলিয়ে মোট ২১৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস মিলেছে। ওই আক্রান্তদের মধ্যেই আছেন দুই ভারতীয় নাবিকও। জাহাজ এবং নাবিকদের উপর কড়া নজর রেখেছে বিদেশ মন্ত্রক। জাপানে ভারতীয় দূতাবাসও যোগাযোগ রাখছে দিল্লি এবং টোকিওর সঙ্গে।
এদিকে, দ্বিপাক্ষিক সদিচ্ছামূলক পদক্ষেপ হিসেবে কনভিড–১৯ মোকাবিলায় চীনে ওষুধ, পথ্য এবং চিকিৎসার সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে ভারত বলে জানান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
ছবি:‌ এএনআই

জনপ্রিয়

Back To Top