আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বুধবার গোটা বিশ্ব সাক্ষী থাকতে চলেছে সুপার ব্লু ব্লাড মুন–এর। সঙ্গে থাকছে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণও। তবে এর পাশাপাশি দিল্লি–সহ তার আশপাশের অঞ্চলে অনুভূত হয়েছে ভূমিকম্প। শুধু দিল্লি নয়, উত্তর ভারত সহ আফগানিস্তান, কাজাখস্তান সীমান্ত, এমনকি পাকিস্তানেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভারতে হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, দিল্লি এবং এনসিআর এলাকাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে বেলা পৌনে একটা নাগাদ। তাহলে কী এই ঘটনার সঙ্গে সুপার ব্লু ব্লাড মুন–এর কোনও সম্পর্ক রয়েছে?‌ বিজ্ঞানীরা এব্যাপারে কিছু না বললেও বিভিন্ন ভবিষ্যত বক্তা তাঁদের বক্তব্যে বলেছেন কিংবা বিভিন্ন বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, এই  সুপার ব্লু ব্লাড মুন–এর সময়েই পৃথিবী কেঁপে উঠবে বিশাল বিশাল ভূমিকম্পে। কোথাও কোথাও লেখা রয়েছে চাঁদের এই দশা আসলে পৃথিবীর ধ্বংসের সময় এগিয়ে আসার ‘‌ইঙ্গিত’‌। এর আগে ২০১৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর পৃথিবী সাক্ষী থেকেছিল সুপার ব্লাড মুন–এর। এরপরই পাস্তোর এবং লেখক জন হ্যাগের একটি ভবিষ্যদ্বাণী ভাইরাল হয়ে যায়। যেখানে হ্যাগ জানান, চাঁদের এই রূপটি পৃথিবীর ধ্বংসের ইঙ্গিত। এর আগে তিনিই বলেছিলেন, আগামিদিনে যে চারটি ব্লাড মুন গ্রহণ হবে, তাতে এপ্রিল ২০১৪ থেকে অক্টোবর ২০১৫ পর্যন্ত বেশ বড় কিছু ঘটনা ঘটবে পৃথিবীর বুকে। যদিও হ্যাগের ভবিষ্যদ্বাণী ঠিক হয়নি। হ্যাগ তার বর্তমান ভবিষ্যদ্বাণীর সমর্থনে বাইবেল (‌ Joel 2:31 in the King James Bible)‌ থেকে একটি লাইনও তুলে ধরেছেন। যেখানে লেখা, ‘‌সূর্য অন্ধকারে ঢেকে যাবে, চাঁদের রং লাল হয়ে যাবে। আর সেদিনই পৃথিবীর বুকে ভগবান নেমে আসবেন। ’ অর্থাৎ তাঁর মতে, সুপার ব্লাড ব্লু মুনের দিনেই পৃথিবীর ধ্বংসের শুরু হতে পারে। ‌ এর মধ্যে অনেকে আবার সুপার ব্লাড ব্লু মুনের দিনে পৃথিবীতে ভূমিকম্পের ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। তাঁরা তাঁদের বক্তব্যে বাইবেলের ৬:‌১২ অংশের একটি উক্তি তাঁরা তুলে ধরেছেন। যদিও বিজ্ঞানীরা এই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে চাননি। অনেকেই মনে করছেন, আগের ভবিষ্যদ্বাণীগুলির মতো এগুলিও মিথ্যে প্রমাণিত হবে।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top