আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ অর্ধেক পৃথিবী সম্পূর্ণ লুপ্ত হয়ে যেতে পারে ২০২৭–এর মধ্যেই। এমনটাই আশঙ্কার খবর দিয়েছে নাসা। কারণ এভারেস্ট পর্বতের চেয়েও বিশাল একটি গ্রহাণু ঘণ্টায় ৫২০০০ কিলোমিটার গতিতে মহাকাস পেরিয়ে ছুটে আসছে পৃথিবীর দিকে। নাসার গ্রহাণু সন্ধানকারী শাখা এই বিধ্বংসী গ্রহাণুর নাম দিয়েছে ৪৯৫৩(‌১৯৯০ এমইউ)‌। গ্রহাণুটির ব্যাসের আয়তন ছয় মাইল। এপর্যন্ত হওয়া পরীক্ষানিরীক্ষা বলছে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বেশ কয়েকবার পৃথিবীর উপর দিয়ে উড়ে যাবে ৪৯৫৩(‌১৯৯০ এমইউ)‌। তার মধ্যে ২০২৭–এর ৬ জুন পৃথিবীর সব থেকে কাছে আসতে পারে গ্রহাণুটি‌। ওই দিন পৃথিবী থেকে ৪৯৫৩(‌১৯৯০ এমইউ)‌–এর দূরত্ব হবে ২.‌৯ মিলিয়ন মাইল। যা জ্যোতির্বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে খুবই কম। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ওই গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর ধাক্কা লাগার মধ্যে যে ব্যাপারগুলি কাজ করবে তার মধ্যে অন্যতম মাধ্যাকর্ষণ গহ্বর। মহাশূন্যে মাধ্যাকর্ষণ গহ্বর বলা হয় যেই জায়গাকে যেখানে কোনও মহাজাগতিক বস্তু তার লাগোয়া গ্রহের মাধ্যাকর্ষণের টানে প্রভাবিত হয়। তাই ৪৯৫৩(‌১৯৯০ এমইউ)‌ যদি এই মাধ্যাকর্ষণ গহ্বরের উপর দিয়ে উড়ে যায় তাহলে পৃথিবীর সঙ্গে ধাক্কা লাগার সমূহ সম্ভাবনা। মাস কয়েক আগেই কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক আয়ান ম্যাকডোনাল্ড সতর্ক করেছিলেন পৃথিবীর সঙ্গে গ্রহাণুর সংঘর্ষের ফলে ভয়ানক বিপর্যয় ঘনাতে পারে। মহাশূন্যের এধরনের আতঙ্ক থেকে বাঁচতেই তাই এবার গ্রহমন্ডলী প্রতিরক্ষা যন্ত্র তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে নাসা। এজন্য বিশাল একটি মহাকাশযান তৈরি করার চেষ্টা চলছে বলে জানালেন বিশেষজ্ঞরা। যা পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা কোনও গ্রহাণুকে ধাক্কা মেরে অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেবে। তাহলে এধরনের মহাজাগতিক বিপদ থেকে রক্ষা পাবে আমাদের প্রিয় গ্রহ।               

জনপ্রিয়

Back To Top