আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‌২০১৯ সালে সূর্যে পা রাখার কথা ইসরো ঘোষণা করার পর আরও এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে তারা। দ্বিতীয়বার ইসরো চাঁদে পাঠাতে চলেছে একটি মহাকাশযান। ২০১৩ সালে চীনই প্রথম তাদের মহাকাশ যান ‘‌য়ুতু রোভার’‌কে চাঁদে শেষবারের মত পাঠিয়েছিল। এবার ইসরো এই পদক্ষেপ নিতে চলেছে। 
ইসরোর পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, দেশের দ্বিতীয় চন্দ্রাভিযানের অন্তর্গত এই মিশনটি। ২০১৮ সালে মার্চ মাসের শেষের দিকে ইসরো ‘‌লুনার রোভার’‌ নামে এই মহাকাশযানটিকে চাঁদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও এটা প্রথমবার নয়, এর আগেও ইসরো চাঁদে মহাকাশযান পাঠিয়েছে। কেন্দ্র সরকার ইসরোর মহাকাশের ওপর গবেষণা নিয়ে খুবই উৎসাহিত। জানা গিয়েছে, ভারতের দ্বিতীয় চন্দ্রাভিযানের কাজও এগিয়ে চলেছে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে। ২০১৮ সালে মার্চ–এপ্রিলের মধ্যেই ‘চন্দ্রযান-২’ রওনা হয়ে যেতে পারে চাঁদের উদ্দেশ্যে। ইসরো এই অভিযানকে আরও রোমাঞ্চকর করতে চাঁদের কক্ষপথে ঘোরার জন্য রাখছে একটি অরবিটার মহাকাশযান। আর তার সঙ্গে থাকবে চাঁদের মাটিতে নামার জন্য একটি ‘ল্যান্ডার’ ও চাঁদের মাটিতে নেমে ঘোরাফেরার জন্য থাকবে একটি ‘লুনার রোভার’ মহাকাশযানও। চাঁদে নামার জন্য ইতিমধ্যেই মহাকাশযানটির পরীক্ষা নিরীক্ষার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে জোর কদমে। 
২০০৮ সালে ইসরো প্রথম চন্দ্রযান পাঠায় চাঁদে। প্রথম চন্দ্রযানের সঙ্গে ইসরোর ৫ ফুট বাই ৫ ফুটের ‘‌লুনার অরবিট’‌ চাঁদে ‘‌ম্যাগমেটিক জল’‌–এর সন্ধান দেয়। যদিও ২০০৮ সালের নভেম্বরে লুনার অরবিটটি নিখোঁজ হয়ে যায়। যা আবার ২০১৬ সালে ইসরো খুঁজে পায়। বর্তমান ‘‌লুনার রোভার’‌টির থাকছে ৬টি চাকা এবং সেটি শুধুমাত্র চাঁদের মাটিতে ঘুরে বেড়াবে এবং চাঁদের বিষয়ে নতুন কিছু সন্ধান দেবে ইসরোকে।  

 

‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top