আজকাল ওয়েবডেস্ক: ষাট বছর পর কেমন দেখতে হবে?‌‌ ‌বছর পঁচিশের সফটওয়্যার কোম্পানিতে চাকুরিরত যুবকই হোক, কিংবা স্কুল শিক্ষিকা কোনও বছর ছাব্বিশের যুবতী। সোশ্যাল মিডিয়ার নেশাড়ু জেন ওয়াইয়ের কাছে এখন এটাই যেন একমাত্র প্রশ্ন। আর এতেই তাঁদের কাছে নতুন আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘‌ফেসঅ্যাপ’। হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন, পোকেমন গো, স্টুলিশ বা পাবজির পর এই জেনারেশনের কাছে ভাইরাল হয়ে উঠেছে এআই টেকনোলজি দিয়ে তৈরি এই ফটো এডিটর অ্যাপটি। যার মূল বিশেষত্বই হল, প্রযুক্তির সাহায্যে আপনার ফটো সম্পাদনা করে বৃদ্ধ বয়সে আপনাকে কেমন দেখাবে, সেই ছবি ফুটিয়ে তোলা। আর এতেই যেন মজেছে জেন ওয়াই। নিজেদের সেলফি তুলে অ্যাপের মাধ্যমে এডিট করে সেটা তাঁরা পোস্ট করছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর এই কাজ থেকে বাদ যাচ্ছেন না কেউই। আট থেকে আশি সবাই যেন মজেছেন ‘‌ফেসঅ্যাপ’–এ‌। এমনকি বাদ যাচ্ছেন না বিভিন্ন ক্ষেত্রের তারকারাও। 
কিন্তু বৃদ্ধ বয়সে কেমন দেখতে লাগবে?‌ এই নিয়ে এত হুজুগ কেন? মনোবিদদের মতে, যেকোনও মানুষই তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ভাবেন। এমনকি তাঁর জন্য ভুলে যান নিজের বর্তমানকেও। আর এখানে যখন প্রশ্ন থাকছে ‘‌লুক’–এর‌‌, সেখানে এই অ্যাপ ব্যবহার করে নিজেকে ভবিষ্যৎ রূপ যে কেউ দেখবে, এই নিয়ে কোনও প্রশ্ন ওঠা উচিত নয়। মানে, আমাকে কতটা বুড়োটে দেখতে হল, সেটাই দেখা একমাত্র লক্ষ্য। আর কিছু নয়। বুড়ো বয়সে আমাকে খারাপ দেখতে লাগবে না তো?‌ এটাই একমাত্র ভয়।
তবে এই অ্যাপ ব্যবহার নিয়ে কিন্তু বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উঠতেও শুরু করেছে। বিশেষ করে এর নিরাপত্তা নিয়ে। ‘‌ফেসঅ্যাপ’ ব্যবহারকারীদের অনেকেই আবার প্রশ্ন করছেন, এই অ্যাপ ব্যবহার করার আগে কেন অ্যাপটি মিডিয়া লাইব্রেরিতে সমস্ত ফটো যে ফোল্ডারে রয়েছে, কেন সেটার অ্যাকসেস চাইছে?‌ এটা কী আদৌ নিরাপদ?‌ কারণ ওই ফটোগুলির মধ্যে অনেকের ব্যক্তিগত ফটোও রয়েছে। ‌যদিও নিরাপত্তা নিয়ে এই প্রশ্নে ‘‌ফেসঅ্যাপ’–এর পক্ষ থেকে ‌কোনও বিবৃতি এখনও দেওয়া হয়নি। জেন ওয়াইও এই নিরাপত্তাজনিত প্রশ্ন অগ্রাহ্য করে ‘‌ফেসঅ্যাপ’–এ মজেছে।‌   ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top