আজকালের প্রতিবেদন: হিগ্‌স–বোসনের গবেষণা কীভাবে হয়েছে?‌ যে–‌যন্ত্রে ধরা পড়েছিল ‘বোসন’ কণার অস্তিত্ব, সেই লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার যন্ত্রটি দেখতে কী রকম?‌ জানা যাবে কলকাতার ‘বিজ্ঞান সমাগমে’। ‘হিগ্স–‌বোসন’ কণার গবেষণা হয়েছে জেনিভায়, ইয়োরোপীয় পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র সার্ন–‌এ। কী ভাবে ওই গবেষণা হয়েছে, তা বোঝাতে যে–‌যন্ত্রে ওই কণার অস্তিত্ব ধরা পড়েছে, সেই ‘লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার’–এর মডেল থাকবে প্রদর্শনীতে। এর পাশাপাশি, কী ভাবে তামিলনাড়ুর থেনিতে পাহাড়ের ওপর ‘ইন্ডিয়ান নিউট্রিনো অবজারভেটরি’ গড়ে উঠেছে, তাও জানা যাবে।
জটিল বিজ্ঞান বোঝাতে সায়েন্স সিটিতে হবে ‘বিজ্ঞান সমাগম’ নামে এই মহাপ্রদর্শনী। শুরু ৪ নভেম্বর। চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রদর্শনীতে দেখানো হবে বিশ্বে সাড়া–‌জাগানো আন্তর্জাতিক কয়েকটি প্রকল্প। যার সব ক’টিতেই ভারতের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। রয়েছে ‘লেসার ইন্টারফেরোমিটার গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ অবজারভেটরি’ (লাইগো)। মহাকর্ষীয় তরঙ্গের সূত্র ধরে ব্ল্যাক হোওল–‌সংক্রান্ত ওই গবেষণা প্রকল্পও সাড়া ফেলেছে। মহাকাশ গবেষণার জন্য যে ‘থার্টি মিটার টেলিস্কোপ’ তৈরি হচ্ছে, তার মডেলও থাকবে প্রদর্শনীতে। মুম্বইয়ের ভাবা পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র, টাটা ইনস্টিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ এবং বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের যৌথ উদ্যোগে লাদাখের হানলেতে ১৪,৫০০ ফুট উচ্চতায় বসানো হচ্ছে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই টেলিস্কোপ। এর সাহায্যে মহাকাশের বিভিন্ন মহাজাগতিক বস্তু থেকে নির্গত উচ্চশক্তির গামা রশ্মি শনাক্ত করা যাবে। কৃষ্ণগহ্বরের বিষয়েও জানা যাবে বিস্তারিত। প্রদর্শনী চলাকালীন প্রতিটি প্রকল্পে যুক্ত বিজ্ঞানী বা গবেষকেরা উপস্থিত থাকবেন। তঁারাই বিষয়গুলি বোঝাবেন। বৃহস্পতিবার এই মহাপ্রদর্শনীর ঘোষণা করেন এইসি–র সচিব এবং আইসিপিডি প্রধান অরুণ শ্রীবাস্তব। তিনি জানান, প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। পরমাণু শক্তি বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রক এবং কেন্দ্রীয় 
বিজ্ঞান সংগ্রহালয় পরিষদ এই প্রদর্শনীর উদ্যোগ নিয়েছে। এদিনের ঘোষণা অনুষ্ঠানে ছিলেন সায়েন্স সিটির অধিকর্তা 
শুভব্রত চৌধুরি।

জনপ্রিয়

Back To Top