আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ পরীক্ষার খাতায় অনেক সময়ই প্রবন্ধের জন্য শব্দ নির্দিষ্ট করা থাকে। পরীক্ষাকেন্দ্রে তা বসে বসে গুনতে হিমশিম খেয়ে যান পরীক্ষার্থীরা। ছাত্রছাত্রীদের এই সমস্যা বুঝতে পারে শুধু তারাই। ৯ বছরের ছাত্র মুজাফ্‌ফর আহমেদ খানও নির্দিষ্ট শব্দের মধ্যে উত্তর লিখতে না পারায় একবার পরীক্ষায় খুব কম নম্বর পেয়েছিল। তারপরই সে আবিষ্কার করে ফেলে ‘‌কাউন্টিং পেন’‌। মুজাফ্‌ফর জানাচ্ছে, প্রতিটা শব্দ লেখার সময়ই তা গুনতে থাকবে এই পেনটি। পেনের পিছনে রয়েছে কেসিং। যখনই পেন দিয়ে কেউ লেখা শুরু করবে, তখনই শব্দ গুনতে থাকবে পেনটি এবং শব্দের সংখ্যা ফুটে উঠবে কেসিং–এ লাগানো এলসিডি মনিটরে।

মেসেজের মাধ্যমে সেই শব্দ সংখ্যা পরীক্ষার্থীর মোবাইল ফোনে চলে যাবে। জম্মু–কাশ্মীরের গুরেজ উপত্যকার ছোট্ট ছেলেটির এই আবিষ্কার যথাযথভাবেই চমকে দিয়েছে তাবড় বিজ্ঞানীদের। ন্যাশনাল ইনোভেশন ফাউন্ডেশন বা এনাইএফ–এর উদ্যোগে রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত ফেস্টিভ্যাল অফ ইনোভেশন অ্যান্ড আন্ত্রেপ্রেনিওরশিপ বা আবিষ্কার এবং নবদ্যোগী শিল্পপতিদের উৎসবে মুজাফ্‌ফরের কাউন্টিং পেন প্রদর্শিত হয়েছে। এধরনের পেন আবিষ্কারের জন্য মুজাফ্‌ফরের প্রশংসা করে তাকে পুরষ্কৃত করেছেন রাষ্ট্রপতি। এনআইএফ বলেছেন, ছাত্রছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে আগামী মাস থেকেই এই পেন বাজারে আনছে তারা।

জনপ্রিয়

Back To Top