অন্নকষ্ট দূর করবে মহাকাশের চাল! শিগগিরই আসতে চলেছে চীনের ‘স্পেস-রাইস’ 

আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‘মহাজাগতিক চাল’ বাজারে আনতে চলেছে চীন! এ এমন চাল যা নাকি খাদ্য সঙ্কট দূর করতে পারে। 
কী এই মহাজাগতিক চাল? 
চীনের চ্যাং-৫ মহাকাশযানে করে মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল ৪০ গ্রাম ধানের বীজ। চন্দ্রযানটি ২৩ দিন ধরে চাঁদকে প্রদক্ষিণ করে, সেই সঙ্গে করে ওই ধানের বীজও। চীনের বিজ্ঞানীরা দেখতে চেয়েছিলেন, মহাকাশে তার ওপর আলাদা কী প্রভাব পড়ে, কীভাবে তাতে সালোকসংশ্লেষ ঘটে। এই গবেষণার নেপথ্যে ছিল গুয়াংডং প্রদেশের সাউথ চায়না ইউনিভার্সিটি। 
বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, মহাকাশে থাকায় একপ্রকার মিউটেশন ঘটেছে বীজগুলোতে। তা পৃথিবীর মাটিতে রোপণ করলে ভাল সাড়াও দিচ্ছে। এ থেকে সাধারণের তুলনায় ভাল ফসল পাওয়া যাবে বলে বিশ্বাস বিজ্ঞানীদের। তাঁরা মনে করছেন, বছর চারেকের মধ্যেই বাজারে আনা যাবে এই ‘স্পেস-রাইস’। খাদ্য সঙ্কট মেটাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা এটি বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে এই প্রথম নয়, খাদ্যশস্য এবং ফলের বীজ এর আগেও মহাকাশে পাঠিয়েছে চীন। যেমন, চাং-৪ এর ল্যান্ডারে চেপে চাঁদে পাঠানো হয়েছিল তুলোর বীজ এবং টমেটোর চারা। তুলোর বীজগুলিতে মাঝেমধ্যে জলের ছিটেও দিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। মহাকাশেই সেই বীজ থেকে প্রচুর তুলো বেরিয়ে আসে। ১৯৮৭ সাল থেকে এ ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে চীন। এ পর্যন্ত প্রায় ২০০ রকম বীজ পাঠানো হয়েছে মহাকাশে।