আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বিক্রম ল্যান্ডারের সমাধি ঘটলেও চন্দ্রযান–২–র অরবিটার কাজ করেই চলেছে। এবার চন্দ্রযান–২–র ‘‌চন্দ্রস অ্যাটমস্ফেরিক কমম্পোজিশন এক্সপ্লোরার–২’‌ বা চেস–২ পেলোডার চাঁদের বহির্মন্ডলে খোঁজ পেল আরগন–৪০–র। যা চাঁদ থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থিত। ইসরো বলেছে চেস–২ পেলোড আসলে নিউট্রাল সাম স্পেট্রোমিটার–বেসড্‌ পেলোড যা চাঁদের বহির্মন্ডলের ১–৩০০ অ্যাটমিক মাস ইউনিট বা এএমইউ–র আওতায় থাকা উপাদান খুঁজতে সক্ষম। সেভাবেই প্রথম পর্বে যে আরগন–৪০ খুঁজে পেয়েছে।
আরগন গ্যাসের অন্যতম আইসোটোপ আরগন–৪০ বা ৪০ এআর চাঁদের বহির্মন্ডলের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসীয় উপাদান বলে জানিয়েছে ইসরো। চাঁদের বাইরে থাকা এই পাতলা গ্যাসীয় আবরণ জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের কাছে পরিচিত চাঁদের এক্সোস্ফিয়ার নামে। আবরণ এতোটাই পাতলা যে গ্যাসের অনুগুলি খুব কমই পরস্পরের সঙ্গে ধাক্কা খায়। ইসরোর বিজ্ঞানীদের মতে, আরগন–৪০ তৈরি হয় পটাশিয়াম–৪০–র রেডিওঅ্যাক্টিভ বিক্রিয়ার ফলে।  চাঁদের দিন–রাতের তাপমাত্রা এবং চাপের প্রভাবে পরিবর্তিত হয় আরগন–৪০। সেভাবেই যখন চাঁদে দিন হয় তখন চাঁদের বহির্মন্ডলে নির্গত হতে থাকে আরগন–৪০।
ছবি:‌ ইসরো     ‌‌  

জনপ্রিয়

Back To Top